পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের জন্য আদালতে আবেদন জানিয়েছেন, যেখানে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন এবং বলেন, “আমি কিছুই করিনি। যা করেছে বোর্ড করেছে।” তাঁর আইনজীবী আদালতে দাবি করেছেন যে, পার্থ মন্ত্রী থাকাকালীন নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না, এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদই নিয়োগ প্রক্রিয়া দেখেছে। পাশাপাশি, পার্থর বয়স এবং শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে জামিনের আবেদন করা হয়েছে।
তবে সিবিআই এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পার্থের যোগসাজশে ৭৫২ জন অযোগ্য প্রার্থীকে চাকরির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যার মধ্যে ৩১০ জনের চাকরি নিশ্চিত করা হয়। সিবিআই জানায়, তদন্ত এখনও চলছে এবং পার্থ জামিন পেলে তা তদন্তের প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।







