কোচবিহারের দিনহাটায় গানের অনুষ্ঠান ছিল মোনালি ঠাকুরের। সূত্রের মাধ্যমে জানাগেছে, মঞ্চে গাইতে গাইতে
অসুস্থ বোধ করেন তিনি। ফলে অনুষ্ঠানের মাঝেই নেমে আসেন। তৎক্ষণাৎ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা করার পর তাকে ছেড়ে নেওয়া হয়।
সংবাদ মাধ্যমে মোনালি ঠাকুরের দিদি মেহুলী ঠাকুরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। সংবাদ মাধ্যমে মেহুলী ঠাকুরকে প্রশ্ন করা হয়, মঞ্চে ওঠার আগেও তো মোনালি সুস্থ ছিলেন। হঠাৎ কী করে এত অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি?
তার কথায়, ‘বোন মঞ্চে ওঠার আগে থেকেই অসুস্থ। কিন্তু অগ্রিম নেওয়া হয়েছে। এর পর অনুষ্ঠান না করলে সংবাদমাধ্যমে খবর হবে, টাকা নিয়ে মোনালি অনুষ্ঠান করেননি। আবার করতে পারেনি বলে তাই নিয়েও খবর হচ্ছে। আমাদের তো শাঁখের করাতের মতো অবস্থা!’ গায়িকার অসুস্থতার জন্য তিনি দায়ী করেছেন, সারা দেশে শিল্পীর টানা অনুষ্ঠান, নতুন গান নিয়ে ব্যস্ততা, যার জন্য অতিরিক্ত পরিশ্রম এবং অনিয়মিত জীবনযাপনকে। গায়িকার দিদি বলেছেন, ‘কখনও হিমাচল প্রদেশে অনুষ্ঠান তো কখনও বেঙ্গালুরুতে। তার পরেই হয়তো বোন দৌড়োচ্ছে কলকাতা। প্রত্যেক জায়গার আবহাওয়া, তাপমাত্রা ভিন্ন। যার প্রভাব শরীরে পড়ছে। একা হাতে সব সামলাতে গিয়ে বেচারি নাজেহাল।’
আর তার থেকেই মোনালি ভাইরাল জ্বরে ভুগছেন ক’দিন। বুকে-পিঠে বেথা ,সর্দি গলা বসে গলা দিয়ে স্বর বেরোচ্ছে না। শিল্পীদের তার পরেও রেহাই নেই! সমস্যা বেড়েছে মঙ্গলবার। ছোট বিমানে চেপে কোচবিহার যাওয়ার সময়। এয়ার প্রেসার নিয়ন্ত্রণের সরঞ্জাম না থাকায় বিমানের ভিতরেই অসুস্থ বোধ করতে থাকেন গায়িকা। মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হয়ে যায়। কোনও মতে গন্তব্যে পৌঁছোন তিনি। মেহুলি বোনের অসুস্থতার খবর জেনে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি।
মেহুলি আরও জানিয়েছেন, বুধবার মুম্বই ফিরে যাচ্ছেন মোনালি। সেখানে চিকিৎসা করাবেন। প্রয়োজনে কিছু দিন হয়তো বিশ্রাম নেবেন। আশা, তাতেই তিনি আগের মতো সুস্থ হয়ে উঠবেন।







