আগামী বছরের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত ও পাকিস্তান। ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গে হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর বহুল প্রতীক্ষিত লড়াই। যে কোনও টুর্নামেন্টেই এই ম্যাচ ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে থাকে। আগামী বছরের ৫০ ওভারের বিশ্বকাপেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। পরিসংখ্যান বলছে, মাঠে যত দর্শক ম্যাচ দেখতে পারবেন, তার প্রায় আড়াইশো গুণ বেশি মানুষ ইতিমধ্যেই টিকিটের জন্য আবেদন করেছেন।
মাসখানেক আগেই আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ করেছে আইসিসি। ৭ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে ভারত। তার মাত্র তিন দিন পরেই ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামবে তারা। এই ম্যাচের টিকিটের চাহিদাই এখন সবচেয়ে বেশি। এখনও পর্যন্ত অন্তত ৮৪ লক্ষ ক্রিকেটপ্রেমী ভারত-পাক ম্যাচের টিকিটের জন্য আবেদন করেছেন। অথচ স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখার সুযোগ পাবেন মাত্র ৩৪ হাজার দর্শক। অর্থাৎ আসনসংখ্যার তুলনায় আবেদনকারীর সংখ্যা প্রায় ২৫০ গুণ বেশি।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই জোহানেসবার্গের মাঠেই অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল। ২০০৭ সালের টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালও এই মাঠেই হয়েছিল ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে। সেই ম্যাচে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে পাকিস্তানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। এবার বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের জন্যও বিপুল আবেদন জমা পড়েছে। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৭৯ লক্ষ মানুষ ফাইনাল দেখতে আবেদন করেছেন। তবে টিকিটের চাহিদার বিচারে ভারত-পাক ম্যাচই এগিয়ে।
ভারতের বাকি ম্যাচগুলিকেও ঘিরে যথেষ্ট উন্মাদনা রয়েছে। গ্রুপ পর্বে ভারতের প্রথম তিনটি ম্যাচের টিকিটের চাহিদা ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে। পাশাপাশি সুপার সেভেন পর্বের ম্যাচগুলির টিকিটের জন্যও আবেদন করা যাচ্ছে। আইসিসি সম্ভাব্য দলগুলির বিন্যাস আগে থেকেই জানিয়ে দেওয়ায় সমর্থকেরা নিজেদের পরিকল্পনা আগেভাগেই করে নিতে পারছেন।
ভারত ও পাকিস্তান দু’দলই যদি সুপার সেভেনে জায়গা করে নেয়, তাহলে ৭ নভেম্বর ফের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাদের। সেই ম্যাচের টিকিটের জন্যও ইতিমধ্যে আবেদন করতে শুরু করেছেন সমর্থকেরা। আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত টিকিটের জন্য আবেদন করা যাবে। ফলে আবেদনকারীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।







