রাজ্য বাজেটে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের পরেই, প্রথম ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান ডিস্ট্রিক্ট মনিটারিং কমিটির মিটিং হলো ঘাটাল টাউন হলে।
এদিনের এই মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন সেচমন্ত্রী ডাঃ মানস রঞ্জন ভূঁইয়া, সেচ দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি মনিষ জৈন, ঘাটাল লোকসভার সাংসদ দীপক অধিকারী, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসক খুুরশিদ আলি কাদেরি, জেলা পুলিশ সুপার ধৃতিমান সরকার, ঘাটালের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিক সহ জনপ্রতিনিধিরা এবং সাব কমিটির সদস্যরা।
ঘাটালের সাংসদ দেব বলেন, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ন করার শর্তে তিনি ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য রাজ্য বাজেটে অর্থ বরাদ্দ করার জন্য তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন এই লড়াই তৃণমূল কংগ্রেসের জয় নয়, ঘাটালের মানুষের জয় এবং প্রার্থনার জয়। তিনি সাংসদ হিসেবে মাস্টার প্ল্যানের জন্য যা বলার তা বলেছেন। মাস্টার প্ল্যানের জন্য জমি প্রয়োজন, উপযুক্ত মূল্য দিয়েই জমি নেওয়া হবে বলে তিনি বলেন। এই বিষয়ে কোনো রকম ভাবেই যেন জমি দাতাদের ভুল বোঝানো না হয়।
৮০ র দশকে বামফ্রন্ট সরকারের সেচ মন্ত্রী প্রভাস ঘোষ মাস্টার প্লানের শিল্যানাস করলেও দীর্ঘ কয়েক দশক ধরেও মাস্টার প্ল্যান রূপায়িত হয়নি।
এবারের রাজ্য বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ পর খুব শীঘ্রই শিলান্যাস হবে।
মুখ্যমন্ত্রী শিলান্যাস করবেন বলে জানা গিয়েছে।
গঙ্গা ফ্লাড কন্ট্রোল কমিশন অনুমোদিত ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের প্রকল্প অনুযায়ী কাজ হবে।
২০১৫ সালের সংশোধিত প্রকল্প অনুযায়ী আটটি ব্লকের কথা উল্লেখ আছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান প্রকল্পে।
খাল সংস্কার, নদীর জল বহন ক্ষমতা বাড়ানো, স্লুইস গেট তৈরি, এবং পাম্প হাউস তৈরি হবে।
প্রথম পর্যায়ে ৮টি ব্লক এবং দুটি পুরসভা প্রকল্পের অংশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। শিলাবতী নদীতে পাঁচ কিলোমিটার রিটেনিং দেওয়াল ও রেগুলেটর তৈরি হবে।
সব মিলিয়ে প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন। দুই মেদিনীপুরের ১৫৭৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা উপকৃত হবে বলে তিনি জানান।







