বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন মালদা জেলায় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও সিএসপি-র আড়ালে চলছিল জাল আধার কার্ড তৈরির কারবার। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় গ্রেফতার দুই—মোস্তফা আব্দুল ওয়াহেদ ও মহম্মদ আজম ওরফে নবাব। পুলিশ সূত্রে খবর, চাঁচল থানার সতী এলাকা থেকে প্রথমে ধরা পড়ে মোস্তফা। জিজ্ঞাসাবাদের পর মূল মাস্টারমাইন্ড আজমকে গ্রেফতার করা হয় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার কুশিদার উত্তর রামপুর থেকে।
অভিযোগ, উত্তর রামপুরে তাদের সিএসপি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে জাল আধার কার্ড বানানোর কাজ চলছিল। সীমান্তবর্তী অঞ্চলের নদীপথে অরক্ষিত অংশ থাকায় অনুপ্রবেশের ঝুঁকি প্রবল। ফলে প্রশ্ন উঠছে—এ জাল আধার কার্ড কারা বানাচ্ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে? পুলিশ ধৃতদের সাত দিনের হেফাজতের আবেদন করেছে।
বিজেপির দাবি, বাংলাদেশি রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করে আধার বানিয়ে রাজ্যে ঘাঁটি গাড়ছে, এতে তৃণমূলের মদত রয়েছে। পাল্টা তৃণমূলের সাফাই—রাজ্য পুলিশ সক্রিয় বলেই ধরা পড়ছে অপরাধীরা, আর অনুপ্রবেশ রুখতে ব্যর্থ কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানোতোর তুঙ্গে।







