গত রবিবার রাতে বনগাঁর নয়া গোপালগঞ্জ এলাকায় অনুষ্ঠান করতে গিয়ে হেনস্থার শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ তোলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। সেই অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে এসেই ইমেইলের মাধ্যমে বনগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করতে গিয়ে বাধা প্রাপ্ত হয় পুলিশ প্রশাসন। যার জন্য পুলিশ গ্রেপ্তার করেন তনয় শাস্ত্রী ও আরো ২জনকে।
সেই দিন নির্ধারিত সময় থেকে প্রায় ২ ঘন্টা পর মঞ্চস্থলে পৌঁছেছিলেন নায়িকা তথা প্রাক্তন সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। তাই অনুষ্ঠান শুরু করতেই অভিনেত্রীকে থামিয়ে নেমে যেতে বলে। সেখানেই তিনি চুড়ান্ত অপমানিত হন। তবে সেখানে তিনি একটাও কথা না বলে সেখান থেকে নেমে চলে আসেন। তারপরেই পরবর্তীতে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন শিল্পী। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ওই তনয় শাস্ত্রীর বাড়িতে অন্যান্য বিভিন্ন শিল্পীদের মত তাঁর বাড়িতে অতিথি হয়ে যেতে রাজি হননি বলেই ভরা মঞ্চে অভিনেত্রী সঙ্গে এই ধরনের আচরণ করা হয়।
এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বনগাঁয় পুলিশ তদন্ত করতে যাবার পরেই ওই জ্যোতিষী সহ আরো ২জন পুলিশকে বাধা দেয়। এমনকি উত্তেজনা এতটাই চরম পর্যায়ে পৌঁছয় যে দুপক্ষের মধ্যে চূড়ান্ত ধস্তা ধস্তি বাঁধে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইন অনুযায়ী সরকারি তদন্তে বাঁধা দেওয়ার অপরাধে ওই জ্যোতিষী তনয় শাস্ত্রী সহ আরো দুই জনকে গ্রেফতার করে। এবার এই ঘটনায় পুলিশের এই তৎপর ভূমিকা দেখে স্বাভাবিকভাবেই খুশি অভিনেত্রী মিমি।







