গ্লেন ফিলিপ্সের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের সর্বোচ্চ দলীয় রানের নজির গড়েছিল নিউজিল্যান্ড। ক্রাইস্টচার্চে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টসে হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২২৫ রান সংগ্রহ করে কিউয়িরা। জবাবে দুর্দান্ত শুরু করেন সঞ্জু স্যামসন। তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিং ভারতকে জয়ের পথে এগিয়ে দেয়। অধিনায়কোচিত ইনিংসে দলের ভিত আরও মজবুত করেন শ্রেয়স আইয়ার। আর শেষ দিকে ফিনিশারের দায়িত্ব সামলে ম্যাচের রং বদলে দেন নমন ধীর। ফলে বোলিংয়ে কিছুটা ব্যর্থতা থাকলেও ব্যাটারদের দাপটে ২ বল হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ‘মেন ইন ব্লু’।
নিউজিল্যান্ডের পরিবেশ ও পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে কয়েক দিন প্রস্তুতির সুযোগ পেয়েছিল ভারতীয় দল। সেই প্রস্তুতির প্রতিফলন দেখা গেল মাঠের পারফরম্যান্সে। ওপেনিং জুটিতে কোনও পরিবর্তন করেনি টিম ইন্ডিয়া। অভিষেক শর্মার সঙ্গে ইনিংসের শুরু করেন সঞ্জু স্যামসন। তবে ম্যাচ শুরুর আগে সবচেয়ে বেশি নজর ছিল দীর্ঘ চার বছর পর জাতীয় দলে ফেরা ভুবনেশ্বর কুমারের দিকে। এই সিরিজ তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হলেও প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রভাব ফেলতে পারেননি তিনি। প্রথম ওভারে নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও দ্রুতই তাঁকে সামলে নেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা। চার ওভারের স্পেলে ৪৯ রান খরচ করেন ভুবনেশ্বর।
নিউজিল্যান্ডের বড় স্কোরের মূল কারিগর ছিলেন গ্লেন ফিলিপ্স। কঠিন পরিস্থিতিতে ক্রিজে এসে দলের রানকে বড় জায়গায় পৌঁছে দেন তিনি। ৪৮ বলে ৮২ রান করে অপরাজিত থাকেন এই কিউয়ি তারকা। এমনকী ইনিংসের শেষ বলেও সুইচ হিটে চার মেরে নিজের ব্যাটিং দক্ষতার প্রমাণ দেন তিনি। ফিলিপ্সকে যোগ্য সঙ্গ দেন ফিন অ্যালেন (৪৫), বেভন জ্যাকবস (৩১) এবং ড্যারিল মিচেল (২৮)। ভারতের হয়ে একটি করে উইকেট পান আর্শদীপ সিং, ময়াঙ্ক যাদব এবং অক্ষর প্যাটেল।







