বিনোদন

পুরনো নায়িকা ‘শ্যামা’-‘মোহর’কে পিছিয়ে এগিয়ে গেছে নতুন মুখ – টিআরপি নিয়ে চলছে নানান কথা !

নিজস্ব সংবাদদাতা : জীবনের পথ বড়ই কঠিন। খানিকটা সাপ সিড়ি খেলার মতো। কখনও কেউ ওপরে কেউ আবার নিচে। এই বিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে চলেছে প্রত্যেক তারকা। এক সময় তাঁদেরই রাজত্ব ছিল ছোট পর্দায়। দর্শকরা তাদেরকে দেখতে পছন্দ করত। এখন তাদের জায়গাতে এসেছে নতুন মুখ ।তাছাড়াও পুরনো অভিনত্রীদেরও নতুন সিরিয়াল চলছে। কিন্তু এক সময় যারা ছিল টিআরপির প্রথম সারিতে, আজ তারা অনেক পিছিয়ে পড়েছে নতুনের ভিড়ে। এই মুহূর্তে প্রথম পাঁচের মধ্যে দেখা যায় ‘অনুরাগের ছোঁয়া’, ‘ফুলকি’, ‘জগদ্ধাত্রী’-দের। বর্তমানে এরা সবাই ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন। কেউ বয়সে অনেক ছোট, কারো আবার পড়াশুনা শেষ হয় নি। কিন্তু এই মুহূর্তে কোথায় হারিয়ে গেলেন মোহর, শ্যামারা?

এক সময় ‘মোহর’ সিরিয়ালটিতে থাকা মোহর আর শঙ্খর সমীকরণ দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকতে‌ন দর্শক। অন্যদিকে এখনও অনুরাগীদের মনে টাটকা শ্যামা, নিখিলের সমীকরণ। বর্তমানে দুই জুটিকেই দর্শক নতুন ভাবে দেখছেন। মোহর হয়ে গিয়েছে রাধিকা। আর শ্যামা হয়ে গিয়েছে ইন্দিরা। তবে ইন্দিরা,রাধিকাদের হদিস মেলা কঠিনই হয়ে দাঁড়িয়েছে ফুলকি, জগদ্ধাত্রীদের যুগে। টিআরপি তালিকায় তাঁদের সিরিয়াল ‘এক্কা দোক্কা’ এবং ‘বাংলা মিডিয়াম’-কে খুঁজে পাওয়া যায় না।ইদানিং প্রথম দশে তিয়াসা লেপচা অভিনীত সিরিয়াল ‘বাংলা মিডিয়াম’-কে দেখা যাচ্ছে। এক সময় পয়লা নম্বরে থেকে এখন তালিকায় অনেকটাই পিছিয়ে। খারাপ লাগে নায়িকাদের?

এই বিষয়ে রাধিকা ওরফে সোনামণি সাহা বললেন,টিআরপি কিছুটা গুরুত্ব পায় নিশ্চয়ই। কিন্তু অনেক সিরিয়ালের টিআরপি থাকলেও চর্চা হয় না। আমার ক্ষেত্রে,‘মোহর’-এর সময়ও আলোচনা হত। এখন টিআরপি কম থাকলেও আমাদের নিয়ে চর্চা হয়। মানুষের ভালবাসা আমাদের জন্য কমেনি। অনেক প্রথম সারির সিরিয়ালের থেকেও জনপ্রিয়তা বিচারে আমরা এগিয়ে। সে দিক থেকে আমি খুশি।”

এছাড়া ইন্দিরা অর্থাৎ তিয়াসা বলেছে “আমার মনে এ সব নিয়ে কোনও ভাবনাই আসে না। তখনও আমি নিজের ১০০ শতাংশ দিয়ে কাজ করতাম। এখনও তাই করি। তখন আমাদের টিআরপি ১৩ অবধি উঠত। এখনও অতটা ওঠেও না। সুতরাং এ সব ভেবে লাভ নেই। সময়ের সঙ্গে সব কিছুই পরিবর্তন হয়।”

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.