ইয়েমেনে জীবন-মৃত্যুর সীমানায় দাঁড়িয়ে কেরলের নার্স নিমিশা প্রিয়া। ‘ব্লাড মানি’র বিনিময়ে প্রাণভিক্ষার আবেদন আগেই খারিজ করেছেন নিহত আলাল আবদু মেহদির ভাই, আবদেলফাত্তাহ মেহদি। এবার তৃতীয় দফায় ইয়েমেনের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে চিঠি লিখে দ্রুত মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি জানালেন তিনি। সেই চিঠি সোশ্যাল মিডিয়াতেও শেয়ার করেছেন আবদেলফাত্তাহ।
চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, “ইয়েমেনের ইতিহাসে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেনি। হত্যাকারীকে ক্ষমা করার প্রশ্নই ওঠে না।” ইতিমধ্যেই নিম্ন আদালত মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে, তাই অবিলম্বে তা কার্যকর করার দাবি তাঁর।
কেরলের পালাক্কড়ের বাসিন্দা নিমিশা প্রিয়া ২০০৮ সালে চাকরিসূত্রে ইয়েমেনে যান। ২০১৭ সালে আলাল আবদু মেহদিকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন তিনি। ২০১৮ সালে ইয়েমেনের আদালত তাঁকে ফাঁসির সাজা শোনায়। এরপর থেকে নিমিশার পরিবার ও ভারত সরকার প্রাণভিক্ষার জন্য লড়াই চালালেও, ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট রশিদ মহম্মদ আল আলিমি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেন। কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সাময়িকভাবে ফাঁসি স্থগিত রাখা হয়েছে।
সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে সুন্নি ধর্মগুরু কান্দাপুরম এপি আবুবকর মুসলিয়ারের মধ্যস্থতায় ইয়েমেনের ধর্মগুরু শেখ উমর হাফিজ মৃতের পরিবারকে ‘ব্লাড মানি’র বিনিময়ে ক্ষমার প্রস্তাব দেন। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি পরিবার। ফলে নিমিশার ভাগ্য এখন প্রায় নির্ধারিত বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।







