ভুবনেশ্বর, ১২ ডিসেম্বর – ওড়িশা এফসি (Odissa FC) সোমবার ঘরের মাঠে বসুন্ধরা কিংসকে ১-০ গোলে হারিয়ে এএফসি কাপের (AFC Cup) গ্রুপ ডি-তে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ফলে তারা ইন্টারজোনাল সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল। অন্যদিকে, একই দিনে মলদ্বীপের মাজিয়া এসআরসি-র কাছে ০-১ গোলে হেরেছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohan Bagan Super Giants)। ফলে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে থেকে এএফসি কাপ অভিযান শেষ করেছে তারা।
এদিন ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই ওড়িশা আধিপত্য বিস্তার করে। তারা বল পজেশনে (৫৩-৪৭) ও আক্রমণের তীব্রতায় (১৬ শট-৭ শট) বসুন্ধরাকে ছাড়িয়ে যায়। বিরতির ঠিক আগে আহমেজ জাহুকে অবৈধ ভাবে পিছন থেকে আঘাত করে লাল কার্ড দেখেন বসুন্ধরার বিদেশি মিডফিল্ডার আসরর গফুরভ। ফলে দ্বিতীয়ার্ধে তাদের দশজনে খেলতে হয়।
প্রতিপক্ষের এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়েই ওড়িশা জয়সূচক গোলটি করে। ৬১ মিনিটে আহমেজ জাহুরের কর্নারে মুর্তাদা ফল নিখুঁত হেড করে গোল করেন। এই গোলের পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ওড়িশা। তবে বসুন্ধরার গোলকিপার সোহাইব হাসান বেশ কিছু দুর্দান্ত সেভ করেন।
শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে জয় নিয়ে ওড়িশা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়। তারা ছয় ম্যাচে চারটি জয় ও দুটি ড্রয়ে ১৪ পয়েন্ট অর্জন করে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বসুন্ধরা ১০ পয়েন্ট নিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়।
ওড়িশার কোচ সের্খিও লোবেরা ম্যাচ শেষে বলেন, “আমরা আজ খুব ভালো খেলেছি। বল পজেশন, আক্রমণ ও ডিফেন্স সব দিক থেকেই আমরা ভালো ছিলাম। দ্বিতীয়ার্ধে বসুন্ধরা দশজনে খেলতে বাধ্য হয়। সেই সুযোগ আমরা কাজে লাগাতে পেরেছি।”
বসুন্ধরার কোচ অমিত হাওলাদার বলেন, “আমরা আজ ভালো খেলতে পারিনি। গোলকিপার লাল কার্ড দেখে দশজনে খেলতে বাধ্য হয়েছি। সেটা আমাদের পক্ষে সুবিধাজনক ছিল না।”







