দল তাঁকে নির্দিষ্ট কোনও দায়িত্ব না দিলে রাজনীতিকে বিদায় জানাবেন, এমনটাই কিছুদিন আগে বলেছিলেন দিলীপ ঘোষ। এটাও জানান, কয়েকমাস অপেক্ষার পর তিনি সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন। দিলীপের সেই বক্তব্যের পর পদ না ফেরালেও, কাজে লিপ্ত করেছে দল৷
তবে এবারে সূত্রের খবর, দিলীপ ঘোষকে হয়তো এখনই রাজনীতিকে ‘গুড বাই’ বলতে হবে না৷ কারণ, আর বছর দু-এক পরই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। সেখানে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চায়, ছাব্বিশের বিধানসভার ‘গুরুদায়িত্ব’ পাক দিলীপ! কয়েকদিন আগে বিজেপির বর্ধিত কার্যকরিণী সমিতির বৈঠকে দিলীপ উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ব্যাপক সাড়াও পান বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি।
দিলীপ-ঘনিষ্ঠ নেতাদের মত, দিল্লির পরামর্শেই সাংগঠনিক কাজে দিলীপ ঘোষকে অধিক ব্যবহার করা হচ্ছে। যার দরুন মনে করা হচ্ছে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফ থেকে হয়তো তাঁকে কোনও পদ দেওয়ার ভাবনা চলছে।
উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের পরবর্তীতে সুকান্ত মজুমদার কেন্দ্রে মন্ত্রী হওয়ার পর রাজ্য সভাপতি হিসেবে দিলীপের নাম প্রকাশ্যে আসে। তবে সেইসময় দলের সমালোচনা করে বসেন তিনি। ফলে পরিস্থিতি পালটে যায়। তবে তারপরই বদলে যায় হিসেব।







