আগামী ৮ নভেম্বর, রবিবার কালীপুজো। উৎসবের মরশুমে শব্দদূষণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি এড়াতে একগুচ্ছ কড়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার। বাজি ফাটানোর নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পাশাপাশি হাসপাতাল, স্কুল-সহ সাইলেন্স জোনে বাজি পোড়ানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ফানুস ওড়ানোর ক্ষেত্রেও নেওয়া হয়েছে কড়া পদক্ষেপ।
নবান্নে বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ জানান, কালীপুজোর রাতে রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বাজি ফাটানো যাবে। অন্যদিকে, ছটপুজোর দিন সকাল ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত বাজি পোড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনও ধরনের বাজি ফাটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ ও বেআইনি বাজির বিক্রি রুখতে বাজি বাজারগুলিতে চলবে কড়া নজরদারি।
বাজি বাজারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরসভা ও পুলিশ প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বাজারে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং অ্যাম্বুল্যান্স রাখা বাধ্যতামূলক।
পরিবেশমন্ত্রী মনোজ ওঁরাও স্পষ্ট জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের বাইরে বাজি ফাটানো কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। অভিযোগ জানানোর জন্য চালু করা হবে প্রশাসনিক হেল্পলাইন।
এদিকে, ফানুস ওড়ানোর ক্ষেত্রেও জারি হয়েছে কড়াকড়ি। দমকল বিভাগের আগাম অনুমতি বা লাইসেন্স ছাড়া ফানুস ওড়ানো যাবে না। উত্তর কলকাতার ঐতিহ্যবাহী বনেদি বাড়িগুলিকেও এই নিয়ম মেনে চলতে হবে। উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি পরিবেশ ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ রাজ্যের।







