নিয়ম মতো বছরের শুরুতে আর্থিক বাজেট ও চলে গিয়েছে । চলতি মার্চ মাসের যে কোনও দিন মিলতে পারে মহা আনন্দের খবর । এ নিয়ে সরকারি কর্মী মহলে জল্পনার শেষ নেই । তবে খবরতা আসতে শুধুই সময়ের অপেক্ষা । চলতি মার্চ মাসেই এক ধাক্কায় ৪ শতাংশ ডি এ বাড়ছে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের । তবে সরকারি কর্মী মহলে গুঞ্জন টা শুরু হয়েছিল গত বছরের শেষের দিকে । গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে সরকারি কর্মীদের জন্য ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় ৪ শতাংশ ডি এ বৃদ্ধি করে সরকার।
এরই মধ্যে চলতি বছরের শুরুতেই সরকারি কর্মীদের DA এক লাফে চার শতাংশ বৃদ্ধি হতে পারে বলে গুঞ্জন তৈরি হয় গোটা সরকারি মহলে। শেষ পর্যন্ত মন্ত্রী সভার বৈঠকে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তার দিকেই নজর ছিল উৎসুক সরকারি কর্মীদের । সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মার্চ মাস থেকে সরকারি কর্মীদের বেতনও বাড়ছে কয়েকগুন । সরকারি সুত্রে খবর এমনটাই । । এমনকি সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় এই বর্ধিত ডি এ -র সুবিধা চলতি বছর জানুয়ারি মাস থেকে পুরো মাত্রায় পাবেন সরকারি কর্মীরা ।
তবে বিগত বছর সেপ্টেম্বর মাসেই লাঘু হয়েছে ষষ্ট পে কমিশন। এর কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা পেতেন ৩৪ শতাংশ ডিএ অর্থাৎ মহার্ঘ ভাতা। সপ্তম পে কমিশন লাঘু হওয়ায় তাদের ডি এ অর্থাৎ মহার্ঘ ভাতার পরিমাণ এক ধাক্কায় ৪ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৩৮ শতাংশ। বর্তমানে কেন্দ্র সরকারের ৬৮ লক্ষ কর্মী এবং ৫২ লক্ষ পেনশন ভোগীরা এই বর্ধিত ডিএ -র সুবিধা পাচ্ছেন । কেন্দ্র সরকারি কর্মীরা অবশ্য বছরে দুবার বর্ধিত ডিএ -এর সুবিধা পেয়ে থাকেন।
এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রকের দাবি, ইতিমধ্যেই এআইসিপিআই (AICPI)-এর সূচক ১৩১ পয়েন্ট পার করেছে ৷ জুনের নিরিখে তুলনা করলে তা ২.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে । এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারি সংগঠনের দাবি, বর্তমানে তাদের ন্যূনতম মজুরি সীমা ১৮ হাজার টাকা রাখা হয়েছে। এতে ইনক্রিমেন্ট ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরকে অনেক বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে, এই ফ্যাক্টরটি ২.৫৭ গুণ, যদিও সপ্তম বেতন কমিশনে এটি ৩.৬৮ গুণ পর্যন্ত রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। এমনটা হলে কর্মীদের ন্যূনতম মজুরি ১৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ২৬ হাজার টাকা হবে। এমনকি কেন্দ্রীয় সরকারের যে কর্মীর মাসিক বেতন ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এই বর্ধিত বেতনের জেরে ওই কর্মীর বেতনের পরিমাণ এক ধাক্কায় বেরে যাবে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ।







