আর জি কর কান্ড নিয়ে সুবিচারের দাবীতে আন্দোলনের ঝাঁঝ ক্রমশঃ বেড়েছে। প্রবল চাপ বৃদ্ধি করেছে জুনিয়র ডাক্তারদের লাগাতার আন্দোলন। লালবাজার অভিযানের পর স্বাস্থ্যভবন অভিযান করে গত কয়েকদিন ধরে, স্বাস্থ্যভবনের ১০০ মিটারের মধ্যে অবস্থানে বসে আছে জুনিয়র ডাক্তাররা। মুখ্যমন্ত্রীর সাথে আলোচনায় বসতে গিয়ে নবান্নের দোরগোড়া থেকে ফিরে এসেছে জুনিয়র ডাক্তাররা। গতকাল থেকে প্রবল প্রাকৃতিক বিপর্যয় শুরু হলেও জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনে ছেদ পড়েনি। লাগাতার চালিয়ে যাচ্ছে আন্দোলন। আজ হঠাৎ করেই অবস্থান মঞ্চে এসে হাজির হলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর আকস্মিক আগমন হলেও মুখ্যমন্ত্রীকে ঘিরে উই ওয়ান্ট জাষ্টিস শ্লোগান দিতে থাকে আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা। তারপরেই অবস্থান মঞ্চের মাইক হাতে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের প্রতি তার পূর্ন সমর্থন রয়েছে। তিনিও ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে উঠে এসেছেন। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যেও জুনিয়ার ডাক্তাররা যে ভাবে আন্দোলন করছেন, তাতেও তিনি কয়েক রাত ঘুমাতে পারেনি। তিনিও অতন্দ্র প্রহরীর মতো রাত জেগেছেন। তিলোত্তমা বিচার পাবেই।
কাউকে ছাড়া হবে না বলে জুনিয়ার ডাক্তারদের জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাছাড়াও তিনি বলেন রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালের রুগী কল্যান সমিতি ভেঙে দেওয়া হল। নতুন করে রুগী কল্যান সমিতি গঠন করা হবে। যেখানে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিনিধী থাকবে। তিনি ৩ মাসের মধ্যে তিলোত্তমার বিচার কার্য শেষ করার জন্য সি বি আই কেও অবস্থান মঞ্চ থেকে অনুরোধ করেন। তিনি জুনিয়ার ডাক্তারদের কাজে ফেরার আহ্বান জানান।
মুখ্যমন্ত্রীর এই আকস্মিক অবস্থান মঞ্চে আসার পর তাহলে কি জুনিয়র ডাক্তাররা প্রত্যাহার করবে অবস্থান? সে দিকেই তাকিয়ে গোটা বাংলা সহ দেশ বিদেশ। যদিও ইতিমধ্যে আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তাররা কিছুটা সময় নিয়েছেন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করার জন্য।







