মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বক্সিং ডে টেস্টে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ভারতীয় বোলিং আক্রমণকে একাই টেনে নিয়ে চলেছেন যশপ্রীত বুমরাহ। দলের বাকি বোলারদের নিস্তেজ পারফরম্যান্স ও বিতর্কিত দল নির্বাচন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ভারত ছয় বোলিং বিকল্প নিয়ে মাঠে নামলেও কার্যত প্রথম ৫০ ওভারে বুমরাহ, মোহাম্মদ সিরাজ এবং আকাশ দীপকেই বেশি ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে, ব্যাটিং শক্তি বাড়ানোর জন্য দলে অন্তর্ভুক্ত ওয়াশিংটন সুন্দর এবং নীতীশ কুমার রেড্ডি কার্যত অব্যবহৃত থেকে যান। এই কৌশল টেস্ট ক্রিকেটের মতো দীর্ঘমেয়াদি ফরম্যাটে কার্যকর হয়নি।
অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান স্যাম কনস্টাসের ঝুঁকিপূর্ণ কিন্তু সফল অর্ধশতকে ভারত চাপে পড়ে যায়। তৃতীয় সেশনে অস্ট্রেলিয়া ২৩৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে এগিয়ে থাকলেও বুমরাহর হাত ধরে ম্যাচের চিত্র কিছুটা পাল্টায়। তার অসাধারণ ডেলিভারিতে ট্রাভিস হেডের অফ স্টাম্প উড়ে যায়।
বুমরাহ এদিন ২১ ওভার বল করে প্রায় একাই দলের ভারসাম্য রক্ষা করেন। তবে দিনশেষে দেখা যায়, রেড্ডি মাত্র ৫ ওভার বল করেছেন, তাও উইকেটকিপার সামনে উঠে এসে। সুন্দরও বল হাতে এসেছেন চা বিরতির ঠিক আগে। এমন পরিস্থিতি বুমরাহর ওপর চাপ বাড়িয়েছে।
সহকারী কোচ অভিষেক নায়ার ম্যাচ শেষে বলেন, “আমরা দল নির্বাচন নিয়ে সন্তুষ্ট, তবে দল ভারসাম্য রাখতে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।” কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়—অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে ভারত কি শুধুমাত্র ব্যাটিং শক্তি বাড়ানোর জন্য সেরা বোলিং আক্রমণকে ত্যাগ করছে?
বুমরাহর অসাধারণ ফর্ম ভারতকে কিছুটা স্বস্তি দিলেও এমন দল নির্বাচন ভবিষ্যতে ভারতীয় দলের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে।







