এখন বিবাহ বিচ্ছেদ এমন কোন ব্যাপারই নয়। তা সেটা সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে হোক বা সেলিব্রেটিদের। একটা সম্পর্ক গড়তে ঠিক যতটা সময় লাগে, সেই সম্পর্ক যতই পুরনো হোক না কেন তার মধ্যে একবার অবিশ্বাসের ফাটল ধরলে সেই সম্পর্ককে আর আঁকড়ে রাখা যায় না।
সম্প্রতি কয়েক মাস আগে থেকেই শোনা যাচ্ছে যীশু সেনগুপ্ত ও তার স্ত্রী নীলাঞ্জনার বিচ্ছেদের কথা। প্রায় ২০ বছরের বিবাহিত জীবনে আগমন ঘটেছে এক তৃতীয় ব্যক্তির। যার ফলেই তাদের সম্পর্কের মধ্যে ফাটল ধরেছে। এমনটাই জানিয়েছিলেন নীলাঞ্জনা। অবশ্যই নীলাঞ্জনা এখন তার দুই কন্যা সন্তান জারা ও সারা নিয়ে বেশ ভালই আছেন। তার করা প্রতিটি পোস্টেই তা বোঝা যায়। তবে, টলিপড়া থেকে মিলল সুখবর।
২০ বছরের সারা এবার নাকি পা রাখতে চলেছেন বলিউডে। যদিও শিশু অভিনেতা হিসেবেই ক্যামেরার সামনে কাজ শুরু সারার। ২০১৮ সালে উমা সিনেমায় তিনি কাজ করেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায়। সঙ্গে ছিলেন বাবা যিশু সেনগুপ্তও। তারপর থেকে আর সিনেমায় কাজ না করলেও, চুটিয়ে করছেন মডেলিং। তবে সারার বলিউড জার্নি হতে চলেছে এক সুপারস্টারের হাত ধরে। আর তিনি হলেন সলমন খান। আর এই ব্রেক পাচ্ছেন তিনি মায়ানগরীতে। যা সব ভারতীয় অভিনেতা-অভিনেত্রীর জন্যই স্বপ্নপূরণের মতো। তার উপর সলমন খানের ব্র্যান্ড।
কদিন আগে মেয়ের জন্মদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় খোলা চিঠি লেখেন নীলাঞ্জনা। যিশু লিখেছিলেন, ‘মাঝে মাঝে তোর কাঁধে মাথা রেখে কেঁদেছি। তুই যখন বড় হলি, বুঝলাম একজন শক্তিশালী তরুণীকে মানুষ করেছি। অন্তত আমার চেয়ে শক্তিশালী। মাঝে মাঝে আমি নিজের দুর্বলতা তোর সামনে প্রকাশ করি বলে, ভাবিস না আমি দুর্বল। বা আমি তোকে রক্ষা করতে পারব না। আমার প্রথম সন্তান তুই সবসময় আমার ছোট্ট সোনা হয়েই থাকবে। আমি সবসময় তোকে আগলে রেখেছি, ভবিষ্যতেও রাখব। আমার রাজকন্যা সারা। দুনিয়া হাত খুলে তোর জন্য অপেক্ষা করছে। কথা দিচ্ছি, মা তোর সবচেয়ে বড় চিয়ার লিডার সবসময় থাকবে। রানওয়ে হোক বা ময়দান, তোর জন্য পুরো শক্তি দিয়ে চিৎকার করবে সবজায়গাতে।’







