ভুয়ো পাসপোর্ট কাণ্ডে বারাসাত থেকে ধৃত আরো দুইজন। এই দুইও নকল পরিচয়ে সমীর দাসের সাথে নথিপত্র জালিয়াতির কাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর এই দুই ব্যাক্তিই সকল ভুয়ো নথি তৈরী করত।কিন্তু এখনো পলাতক এক সঙ্গী।
বারাসাতের নবপল্লীতে সমীর দাসের বাড়ির অঞ্চলেই বাড়ি ছিল তাঁর এক সহযোগীর। সুত্রে জানা যায় তিনি সকল ভুয়ো নথির হিসেব রাখতেন। সমীর দাসের গ্রেফতারের পর থেকেই নিখোঁজ তিনি।
সমীর দাসের প্রতিবেশীরা জানান, আগের বছরও তার একতলা বাড়ি ছিল। কিন্তু এক বছরের মধ্যে সেই বাড়ি সুবিশাল অট্টালিকায় পরিণত হয়। কিন্তু সমীর দাস যে নথি পত্রের জালিয়াতি চক্রে জড়িত তা একবারের জন্য টের পাননি প্রতিবেশীরা। বারাসাত আদালতে সমীর দাস মুহুরির কাজ ও তার মুদির দোকান ছিল বলে তারা জানত। সমীর দাসের এক ছেলে দাঁতের চিকিৎসক ও অন্যজন পুলিশের কনস্টেবল।
সমীর দাসের ভুয়ো নথি পত্রের ব্যবসা করোনার সময় কাল দিয়েই ফুলে ফেঁপে উঠেছে তা কোনো ভাবেই কেউ জানতে পারেননি।







