করিমপুর থেকে কৃষ্ণনগরগামী একটি যাত্রীবাহী বাস। সকালের ব্যস্ত সময়। আচমকাই বাসে উঠতে শুরু করেন একের পর এক বিএসএফ জওয়ান। যাত্রীদের চমকে দিয়ে শুরু হয় তল্লাশি। আর সেখানেই ধরা পড়ে যায় দুই সোনা পাচারকারী। চপ্পলের ভেতর লুকোনো ছিল ১০০০ গ্রাম সোনার বার!
বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, আগে থেকেই গোপন সূত্রে সোনা পাচারের খবর আসে বাহিনীর কাছে। সেইমতো একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়। সকাল ১০টা নাগাদ মহিষবাথান এলাকায় সন্দেহজনক বাসটিকে চিহ্নিত করেন জওয়ানরা। শুরু হয় চিরুনি তল্লাশি।
ধৃত দুই পাচারকারীর কাছ থেকে চপ্পলের মধ্যে লুকোনো অবস্থায় উদ্ধার হয় ৭টি সোনার বার এবং ২টি মোবাইল ফোন। বাজেয়াপ্ত হওয়া সোনার ওজন প্রায় ১০৩০.৭২০ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৫ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা। মোবাইল ও সোনা বাজেয়াপ্ত করে ধৃতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ শুরু হয়েছে।
এই সাফল্যে বিএসএফ-এর দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের জনসংযোগ কর্মকর্তা বাহিনীর জওয়ানদের তৎপরতার প্রশংসা করেন। সাধারণ মানুষকেও পাচার সম্পর্কে তথ্য দিতে উৎসাহিত করে বিএসএফ। যেকোনও তথ্য ‘সীমা সাথী’ হেল্পলাইন নম্বর ১৪৪১৯ বা হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ৯৯০৩৪৭২২২৭-এ জানানো যাবে।







