দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানা যেন এক মর্মান্তিক ঘটনায় শিহরিত। মাত্র এগারো বছরের এনাক্ষী কয়াল, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী, মিলল বাড়ির ছাদে ঝুলন্ত অবস্থায়। পাশেই পড়ে ছিল এক চিঠি—যা ঘনীভূত করেছে রহস্য।
পরিযায়ী শ্রমিক বাবা-মা ভিনরাজ্যে। তাই এনাক্ষী থাকত জ্যেঠু-জ্যেঠিমার সঙ্গে, দিদিকে নিয়ে উত্তর চন্দনপিঁড়ি গ্রামে। মঙ্গলবারও প্রতিদিনের মতো স্কুলে গিয়েছিল এনাক্ষী। সময়মতো ফিরে এলেও সন্ধ্যায় হঠাৎই তাকে আর খুঁজে পাওয়া গেল না।
দিদি কোচিং থেকে ফিরে প্রথমে বাড়ির ঘরে বোনকে দেখতে না পেয়ে শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। তখনই ঘরে মিলল এক চিঠি। সেই সূত্রে ছাদে উঠে দিদি দেখে—ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছে ছোট বোনের নিথর দেহ। চিৎকারে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। খবর যায় থানায়।
পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় দ্বারিকনগর গ্রামীণ হাসপাতালে, কিন্তু চিকিৎসকরা এনাক্ষীকে মৃত ঘোষণা করেন। দেহ পাঠানো হয়েছে কাকদ্বীপ মর্গে।
কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল এত কম বয়সের এক ছাত্রী? সেই উত্তর এখনও অজানা। তবে এনাক্ষীর লেখা চিঠি ঘিরেই দানা বাঁধছে জল্পনা। পুলিশের তদন্তে হয়তো মিলবে তার মনের অজানা কাহিনি।







