আইএমডি জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকায় একটি সুস্পষ্ট নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়েছে, যা বর্তমানে পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে সরছে। তবে নিম্নচাপের অভিমুখ মূলত ওড়িশা উপকূলের দিকে, তাই সরাসরি পশ্চিমবঙ্গে তার প্রভাব পড়বে না। তবুও পরোক্ষ প্রভাবে আগামী কয়েক দিনে কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে শনি ও রবিবার দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্র-বিদ্যুতসহ বৃষ্টিও হতে পারে।
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৩০ সেপ্টেম্বর উত্তর আন্দামান সাগরে একটি upper air cyclonic circulation তৈরি হতে পারে। এর প্রভাবে ১ অক্টোবর বঙ্গোপসাগরে নতুন নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। আগামী সাত দিনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত চলবে। বিশেষ করে আগামী দুই দিনে কিছু জেলায় ভারী বৃষ্টি (৭–১১ সেমি) হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পঞ্চমী (২৭ সেপ্টেম্বর) ওষ্ঠমী (২৮ সেপ্টেম্বর) দিনে দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ স্থানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি/বজ্রপাত হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি ও ঝাড়গ্রাম জেলার এক বা দুটি স্থানে দমকা হাওয়া (৩০–৫০ কিমি/ঘণ্টা) এবং বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সপ্তমী ও অষ্টমী দিনে একই পরিস্থিতি চলতে পারে।
নবমী ও দশমী (১–২ অক্টোবর) তেও দক্ষিণবঙ্গের অনেক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি থাকবে। বিশেষ করে কলকাতা, নদীয়া, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে এক বা দুটি স্থানে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সমস্ত জেলায় দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্র-বিদ্যুতসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়ে গেছে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, দমকা হাওয়া ও বজ্র-বিদ্যুতের কারণে নদী-খাল ও খোলা জায়গায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই সব সময় সতর্ক থাকা জরুরি।







