নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রস্তুত করতে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যকে ৫টি প্রশাসনিক বিভাগে ভাগ করে প্রত্যেকটি অঞ্চলের জন্য একজন করে মোট পাঁচজন সিনিয়র আইএএস আধিকারিককে ‘বিশেষ রোল অবজার্ভার’ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। কমিশনের মূল লক্ষ্য হলো ভোটার তালিকা পুনর্গঠন, ত্রুটি যাচাই ও মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণ আরও কড়া ভাবে হবে।
এরইমধ্যে কমিশন সূত্রে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। যেখানে জানা গেছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে এক কোটিরও বেশি ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হতে পারে। সেই সমস্ত ভোটারের নাম ২০০২-এর ভোটার তালিকার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে ব্যর্থ হবে। সেই সমস্ত নাগরিকের নাম বাদ পরার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে ৫৬ লাখেরও বেশি ভোটারকে ‘আনকালেক্টেবল’ বা অযাচাইযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সমস্ত নামের ক্ষেত্রে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের তত্ত্বাবধানে যাচাই প্রক্রিয়া চলবে। পাশাপাশি স্থানীয় BLO ও BLA–দের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত রিপোর্ট সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
নির্বাচন কমিশনের মতে, ভুল বা ভুয়ো তথ্য, ডুপ্লিকেট এন্ট্রি, মৃত ভোটারের নাম ও অন্যত্র চলে যাওয়া মানুষদের এন্ট্রি সবকিছু মিলিয়ে ভোটার তালিকায় সঠিক তথ্য বজায় রাখতে হবে। ভোটার তালিকায় যাতে স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা বজায় থাকে তার জন্য এই বিশেষ পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।ভোটার তালিকা সংস্কারের এই উদ্যোগের ফলে কমিশন আশা রাখছে, আসন্ন নির্বাচননের ভোটার তালিকা স্বচ্ছ ত্রুটিমুক্ত ও বিশ্বাসযোগ্য করা সম্ভব হবে।







