রাজ্য যখন গোরু পাচার থেকে শুরু করে কয়লা পাচার, নিয়োগ দুর্নীতিসহ রেশন দুর্নীতি মামলায় তোলপাড় হয়েছে গোটা রাজ্য রাজনীতি। এমনকি রাজ্যে চুরি ও তোলাবাজি বৃদ্ধির বিষয়ে সতর্কও করেছিলেন স্বয়ং অনুপম হাজরা।
আর এবার সারদা চিটফান্ড নথি লোপাট সংক্রান্ত মামলার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ছোট ভাই তথা কন্টাই পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সৌমেন্দু অধিকারীকে বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় তাঁকে থানায় হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।গত পরশু এই মর্মে নোটিস পাঠিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। নোটিশ পেয়ে থানায় হাজিরা দেবেন সৌমেন্দু।
সৌমেন্দু’র পক্ষের আইনজীবি সূত্রে খবর, এর আগেও ২ বার তাঁকে একই মামলায় ডেকে পাঠানো হয়েছিল।সূত্রের খবর,সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনের উদ্যোগে একটি জমি কিনে আবাসন গড়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল কাঁথি পুরসভা এলাকায়।সেই মর্মে পুরসভা থেকে জমি হস্তান্তরও করা হয়ে ছিল।পরবর্তী কালে সারদা কর্তা জেলে যাওয়ার পর সেই জমিতে পুরসভা আবর্জনা ফেলার জন্য ব্যবহার করে।তবে যে সময় সারদা কর্তার সঙ্গে পুরসভার চুক্তি হয়েছিল সেই সময় সৌমেন্দু অধিকারী চেয়ারম্যান না থাকায়, পরবর্তীকালে সৌমেন্দু ও তারপর আরও ২ জন পুর চেয়ারম্যান দায়িত্ব সামলেছেন কন্টাই পুরসভায়।
সৌমেন্দু’র আইনজীবি অনির্বাণ চক্রবর্তীর দাবী, “২০২১ সালে রাজ্যের পালাবদলের পর শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর পরিবারকে টার্গেট করা হচ্ছে। যে জমির চুক্তি সংক্রান্ত ফাইল লোপাটের অভিযোগ তোলা হচ্ছে পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে, সেই চেয়ারে আরও ২ জন ব্যক্তি বসেছেন পরবর্তীকালে। কিন্তু তাঁদের কাউকেই এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়নি”।
এই বিষয় নিয়ে ফের অনির্বাণ জানান, “গত পরশু সৌমেন্দুকে ১৬০ ধারায় সাক্ষী হিসেবে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। আজ বেলা ১২টায় তাঁকে কাঁথি থানায় হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এভাবে শুধুমাত্র সৌমেন্দু অধিকারীকে কেন বারেবারে ডেকে পাঠানো হচ্ছে তা স্পষ্ট নয়। আজ সৌমেন্দু থানায় গেলে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে







