টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ব্যর্থতার পর বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত শ্রীলঙ্কা শিবিরে। দলের প্রধান কোচ Sanath Jayasuriya নিজেই দায়িত্ব ছাড়ার বার্তা দিয়েছেন। তাঁর কথায়, এখন সময় এসেছে নতুন কারও হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার।
প্রথম রাউন্ডে আশাব্যঞ্জক সূচনা করলেও সুপার এইটে ছন্দ হারায় লঙ্কানরা। টানা তিন ম্যাচে পরাজয়ের জেরে সেমিফাইনালের স্বপ্ন ভেঙে যায়। শেষ ম্যাচে Pakistan-এর বিরুদ্ধে মাত্র পাঁচ রানে হার শ্রীলঙ্কার বিদায় নিশ্চিত করে।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জয়সূর্য বলেন,
“সময় এসেছে দায়িত্ব অন্য কারও হাতে তুলে দেওয়ার। ইংল্যান্ড সিরিজের সময়ই বুঝেছিলাম বেশিদিন থাকব না। বিশ্বকাপে ভালো ফল করে বিদায় নিতে চেয়েছিলাম, সেটা পারলাম না — এই আক্ষেপ থাকবেই।”
তাঁর চুক্তির মেয়াদ জুন পর্যন্ত। এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে Sri Lanka Cricket-কে কিছু না জানালেও শীঘ্রই বোর্ডের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন তিনি।
শেষ ম্যাচে নাটক, তবু পরাজয়
শেষ ম্যাচে অধিনায়ক Dasun Shanaka-র লড়াই শ্রীলঙ্কাকে আশা দেখিয়েছিল। মাত্র ৩১ বলে অপরাজিত ৭৬ রান করেন তিনি — ৮টি ছক্কা ও ২টি চার সহ।
শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ২৮ রান। পাকিস্তানের পেসার Shaheen Shah Afridi-কে টানা তিন ছক্কা ও একটি চার মেরে সমীকরণ নামিয়ে আনেন শেষ বলে ৬ রানে। কিন্তু শেষ বলটি ছেড়ে দেন শনাকা, ওয়াইড হবে ভেবে। আম্পায়ার ওয়াইড না দেওয়ায় ম্যাচ হাতছাড়া হয় শ্রীলঙ্কার।
২০৬/৭-এ থামে তাদের ইনিংস, যেখানে পাকিস্তান তুলেছিল ২১২/৮।
সেমিফাইনালে কারা?
এই জয়ের পরও পাকিস্তান শেষ চারে উঠতে পারেনি। গ্রুপ ২ থেকে New Zealand ও England সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে।
পরিবর্তনের পথে লঙ্কান ক্রিকেট
জয়সূর্যের অধীনে শ্রীলঙ্কা দল পুনর্গঠনের পথে এগোলেও ধারাবাহিক সাফল্য আসেনি। সুপার এইটে ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
এখন নজর নতুন কোচের দিকে। বোর্ড কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাই দেখার।
জয়সূর্যের সম্ভাব্য বিদায় হয়তো শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।







