দেশ

রাজ্যসভায় নির্বাচিত হয়ে বিধান পরিষদে ইস্তফাসংবিধান মেনে পদ ছাড়লেন নীতীশ কুমার ও নীতিন নবীন

বিধান পরিষদ থেকে ইস্তফা দিলেন নীতিশ কুমার। রাজ্যসভায় নির্বাচিত হওয়ার পর সাংবিধানিক নিয়ম মেনেই এই সিদ্ধান্ত নিলেন জেডিইউ সভাপতি। সোমবার, ৩০ শে মার্চ তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর বিধান পরিষদের সদস্যপদ ছাড়েন।

চলতি মাসের ১৬ই মার্চ রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন নীতীশ কুমার। ভারতের সংবিধানের ১০১ ও ১৯০ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি একসঙ্গে সংসদ এবং রাজ্যের আইনসভার সদস্য থাকতে পারেন না। সেই কারণে নির্বাচনের ১৪ দিনের মধ্যে একটি পদ ছাড়ার বাধ্যবাধকতা থাকে। এই নিয়মই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ ও কার্যকর রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।নীতীশ কুমারের পাশাপাশি একই পথে হাঁটলেন নীতিন নবীন। তিনিও রাজ্যসভায় নির্বাচিত হওয়ার পর বিধান পরিষদের সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়ান। সোমবার সামাজিক মাধ্যমে তিনি নিজের পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন এবং সংবিধানের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

পদত্যাগের প্রসঙ্গে নীতিন নবীন নিজের রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিনগুলির কথাও স্মরণ করেন। ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে পিতার আকস্মিক মৃত্যুর পর দল তাঁকে পটনা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দেয়। সেই বছরের ২৭ এপ্রিল প্রথমবার নির্বাচিত হয়ে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় যা পরবর্তীতে দীর্ঘ পথচলার ভিত্তি তৈরি করে। রাজ্যসভায় নতুন দায়িত্ব গ্রহণের আগে পুরনো পদ ছাড়ার এই প্রক্রিয়া ভারতের রাজনৈতিক কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এতে দ্বৈত পদাধিকার এড়ানো যায় এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় থাকে। নীতীশ কুমার ও নীতিন নবীনের এই পদক্ষেপ সেই সাংবিধানিক বিধিরই প্রতিফলন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.