বাংলাদেশে গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে প্রস্তাবিত রাম মন্দির নির্মাণ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত অন্যতম উদ্যোক্তা হরিদাসচন্দ্র তরণী দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের পুলিশ। এই ঘটনাকে ঘিরে সে দেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, হরিদাসচন্দ্র তরণী দাসের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও অর্থপাচারের অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাঁকে চার দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
তবে পুলিশের অভিযোগ মানতে নারাজ হরিদাসের পরিবার ও তাঁর আইনজীবী। তাঁদের দাবি, অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পরিবারের অভিযোগ, পলাশবাড়িতে রাম মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ এবং হিন্দু ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণেই তাঁকে নিশানা করা হয়েছে।
হরিদাসের আইনজীবীর দাবি, মন্দির নির্মাণের জন্য সাধারণ মানুষ স্বেচ্ছায় অর্থ সাহায্য করেছিলেন। সেই অনুদানের অর্থকেই অন্যভাবে ব্যাখ্যা করে মামলা করা হয়েছে। তাঁরা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত এবং হরিদাসের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও উপাসনালয়ের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন মহল। সংখ্যালঘু সংগঠনগুলিও একাধিক ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে আসছে।
২০২৪ সালের অগস্টে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর হামলার অভিযোগ সামনে আসে। সেই সময় থেকেই হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। হরিদাসচন্দ্র তরণী 8 দাসের গ্রেফতারির ঘটনাও নতুন করে সেই বিতর্ককে উসকে দিয়েছে।







