পহেলগাঁওতে নৃশংস জঙ্গি হামলার পর কড়া হাতে প্রতিশোধ নেয় ভারত। অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি, যেখানে হয়েছে প্রায় শতাধিক সন্ত্রাসবাদী। কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের সাহায্যে এই অভিসারের সাফল্যের মুখ দেখেছে?
কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলায় মাথার সিঁদুর অনেক মহিলার। তারপরেই এই ভয়ঙ্কর ঘটনার প্রত্যুত্তরে ভারত শুরু করে অপারেশন সিঁদুর। সেই অভিযানে দুটো গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের মাধ্যমে বাজিমাত করে ভারত। প্রথমেই তারা হামলা চালায় SCALP ক্রুজ মিসাইল ব্যবহারের মাধ্যমে। রাফাল চুক্তির মধ্যে দিয়ে ফ্রান্স থেকে এই অস্ত্রটি কিনেছে ভারত। এটি হলএকটি দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। যা ৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে নির্ভূল আঘাত করতে পারে। এমনকি অস্ত্রের ওজন ১,৩০০ কেজি। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ইনফ্রারেড ও জিপিএস নেভিগেশনের মাধ্যমে কাজ করে। যার মূল্য আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকা।
এছাড়াও দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হলো হ্যামার বোমা। এই অস্ত্র তৈরি হয়েছে ফ্রান্সের মাটিতে। এই বোমা কাজ করে জিপিএস, ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ও লেজার সিস্টেমের মাধ্যমে। এই বোমাটির ওজন প্রায় ১২৫ কেজি থেকে ১০০০ কেজি পর্যন্ত। এক একটি হ্যামার বোমার দাম প্রায় ৩ থেকে ৫ কোটি টাকা। পাকিস্তান কোনরকম আঘাত পারলেই এরকম বিভিন্ন আধুনিক ক্ষেপন্থের মাধ্যমে উত্তর দিচ্ছে ভারত। শান্তিপূর্ণ দেশ ভারত কিন্তু কেউ যদি তাদের আক্রমণ করে তাহলে সেই দেশকে এক্কেবারে কথা বলে না ভারতবর্ষ।







