ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) লাগাতার বিক্ষোভের জেরে দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকায় এবার বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করলেন দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। দীর্ঘ কয়েকদিন ধরে মেট্রো পরিষেবা আংশিকভাবে ব্যাহত হওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি আইনজীবী ও আদালতের কর্মীরাও সমস্যায় পড়ছেন বলে সুপ্রিম কোর্টে বিষয়টি উত্থাপন করেন সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিকাশ সিং। তিনি এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপও কামনা করেন।
এই প্রসঙ্গেই প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, প্রথমে সুপ্রিম কোর্টের আধিকারিকরা যেন দিল্লি মেট্রো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন। যদি দুপুরের মধ্যে কোনও সমাধান না বেরোয়, তবে তিনি নিজেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেন, মেট্রো পরিষেবার সমস্যার কারণে যেসব আইনজীবী আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ধরনের পদক্ষেপ করা হবে না।
উল্লেখ্য, ‘ককরোচ’ শব্দটি ঘিরেই এই রাজনৈতিক সংগঠনের উত্থান। দেশের বেকার যুবকদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতির একটি বিতর্কিত মন্তব্যের পরই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ করে। বর্তমানে তারা দিল্লিতে ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সোমবার সংসদ ভবন অভিযানের সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের অভিযোগ ওঠে। প্রতিবাদীদের উপর লাঠিচার্জের অভিযোগের পর থেকেই টানা চারদিন ধরে রাজধানীর ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট মেট্রো স্টেশনও রয়েছে।
এদিকে, সিজেপির বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনায় অবিলম্বে শুনানির আবেদন জানানো হলেও তা গ্রহণ করেনি সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়ে দেয়, এ ধরনের আবেদনে অযথা সময় নষ্ট করা উচিত নয়। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “আমরা কোনও ভিডিও দেখতে আগ্রহী নই। সেগুলো দেখার মতো সময় আমাদের নেই। অনুগ্রহ করে আদালতের এবং নিজেদের সময় নষ্ট করবেন না।”
উল্লেখ্য, দিল্লি পুলিশের অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সোমবার সকালে সংসদ ভবনের উদ্দেশে মিছিল শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টির সদস্যরা।







