বিতর্ক এবার অন্য জায়গায়, কেন্দ্রবিন্দু ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প। আবাস যোজনাকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ প্রকাশ্যে আসছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, শাসক দল তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েতের সঙ্গে যুক্ত কর্তা ব্যক্তিরা যথেষ্ট সাবলম্বী হওয়া সত্ত্বেও ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। পাকা বাড়ি থাকলেও, প্রভাবশালী হলেও মিলছে এহেন সুবিধা। ফলে আবাস যোজনার তালিকা নিয়ে যেমন অসন্তোষ রয়েছে, তেমনই সমীক্ষার কাজ করা কর্মীদের উপরও আক্রমণ হচ্ছে।
এবার আবাস যোজনায় দুর্নীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে রাজ্য সরকার। বার্তা মুখ্যসচিবের। জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে তাঁর উবাচ, ‘যাঁদের পাকা বাড়ি, আবাস যোজনার বাড়ি তাঁদের জন্য নয়।’ প্রভাবশালী দিয়ে কেউ অন্যরকম ভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে তাঁর কথা শোনা হবে না, তাও জানিয়ে দেন তিনি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, নবান্নর তরফে আগেই জানানো হয়, পরিবারের কেউ সরকারি চাকরি করলে, মাসিক আয় ১০ হাজার টাকার অধিক হলে, আয়কর দিলে আবাস যোজনার উপভোক্তার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হবে। উপভোক্তার কাছে কোনও গাড়ি, যন্ত্র চালিত নৌকা, বিলাসবহুল গাড়ি ইত্যাদি থাকলে কোনওভাবেই তিনি বা সেই পরিবার এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। এছাড়াও ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়ার ক্ষমতা থাকলে, কিষান ক্রেডিট কার্ড থাকলে, ফ্রিজ, ল্যান্ডলাইন ফোন থাকলেও তাঁর নাম এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।







