চব্বিশের নির্বাচনী ফলাফলের আগে হঠাৎই আয়ুর্বেদিক, হোমিওপ্যাথি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি এর কাজ শুরু হতে চলেছে ত্রিপুরায়।বিশেষ করে নজর দেওয়া হয়েছে হাসপাতালগুলিতে পরিষেবা ও পরিকাঠামোর উন্নয়নের দিকে।
রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করার লক্ষ্য নিয়ে খুব সহসাই রাজ্যে আয়ুর্বেদিক এবং হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগকে উপেক্ষা করে আগরতলায় আয়ুর্বেদিক হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় একথা বলতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহাকে। এদিন আয়ুর্বেদিক হাসপাতালে স্বাস্থ্য দফতরের শীর্ষ পদাধিকারীদের নিয়ে পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক এবং রোগীদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা। তাঁদের কাছ থেকে পরিষেবা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে কথাও বলেন মন্ত্রী। এছাড়া হাসপাতালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখেন।
পরে অপেক্ষমান সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আয়ুর্বেদিক হাসপাতালটি অনেকদিনের। এই হাসপাতালের নতুন ভবনের উদ্বোধন করতে এখানে এসেছি। রাজ্য আয়ুর্বেদিক হাসপাতালটি নিয়ে রাজ্যের মানুষের অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। প্রতিদিনই চিকিৎসা পরিষেবা নিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী এই হাসপাতালে আসেন। তাই আমি এই হাসপাতালটির সার্বিক ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখতে এসেছি। সেই সঙ্গে পুরনো ভবন নিয়ে কী করা যায় সেটা বিবেচনা করা হবে।”
মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, “রাজ্য সরকার একটি আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল কলেজ শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে। পাশপাশি তিনি জানান, এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য দফতরের সচিব কেন্দ্রীয় সরকারকে একটি চিঠি দিয়েছেন আপাতত প্রাথমিকভাবে আমরা আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল কলেজ দিয়ে শুরু করব। তারপরে হোমিওপ্যাথি মেডিক্যাল কলেজ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে কিছু সমস্যা আছে, যেগুলির সমাধান করা দরকার এবং আমি নির্দেশ দিয়েছি যে এই বিষয়গুলো যত দ্রুত সম্ভব সমাধান করা হোক। শীঘ্রই এসব সমস্যার সমাধান হবে বলে আমরা আশাবাদী। এর পাশাপাশি আয়ুর্বেদিক হাসপাতালের পরিকাঠামো সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।”পরিদর্শন কালে এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য দফতরের সচিব কিরণ গিত্যে সহ অন্যান্য পদস্থ আধিকারিকগণরা







