বিহারের পর এবার বাংলায় গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার আশঙ্কা। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। রবিবার একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি কর্মসূচিতে এসে তিনি বলেন— “ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার ভয়াবহ চক্রান্ত শুরু হয়েছে। জন্ম সার্টিফিকেট না থাকলে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা। শুধুমাত্র ভোটার কার্ড বা আধার কার্ড যথেষ্ট নয়। এমনকি বাবা-মায়ের জন্ম সার্টিফিকেটও লাগবে! এটা সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র।”
মহুয়ার দাবি, ২০২৬-এর নির্বাচনে বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে বড়সড় পরিকল্পনা করছে কমিশন। ইতিমধ্যেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ বাতিলের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
এই ইস্যুতেই মহুয়াকে তীব্র কটাক্ষ করলেন রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। তাঁর পাল্টা বক্তব্য— “ভুয়ো ভোটেই জিতেছেন মহুয়া মৈত্র। তাই ভোটার তালিকা স্বচ্ছ হলে তাঁর গদি যাবে এই আশঙ্কায় এখন উল্টোপাল্টা কথা বলছেন। তৃণমূল জানে সঠিক তালিকা হলে ২০২৬-এ ওদের অস্তিত্ব থাকবে না।”
নদিয়া জেলাজুড়ে রাজনৈতিক তরজায় উত্তাল পরিস্থিতি। একদিকে ভোটাধিকার রক্ষার প্রশ্ন, অন্যদিকে স্বচ্ছ নির্বাচন ব্যবস্থার দাবি— ২০২৬-এর রণাঙ্গনের আগে স্পষ্ট হয়ে উঠছে ভোটার তালিকা ঘিরেই শুরু রাজনৈতিক যুদ্ধে নতুন অধ্যায়।







