পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে রাজ্যে যখন অসন্তোষ, অভিযোগের পাহাড় জমা হয়েছিল মানুষের মধ্যে তখন কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বেশ কিছু রাজনৈতীক নেতা। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর থেকে শুরু করে ফল প্রকাশ পর্যন্ত একের পর এক অভিযোগ নিয়ে মামলা হয়েছিল। সেরকমই একটি মামলায় তিন মাস পর জয়ী হিসেবে শংসাপত্র পেতে চলেছেন কংগ্রেস প্রার্থী। তাঁর অভিযোগ তিনি তৃণমূল প্রার্থী অপেক্ষা বেশি ভোট পাওয়া সত্ত্বেও জোর করে তৃণমূল প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
কংগ্রেস প্রার্থী তীজেন্দ্র নাথ মাহাতোর অভিযোগ, তিনি ৬ ভোটে জিতছিলেন। কিন্তু বিডিওসহ অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা জোর পূর্বক তৃণমূল প্রার্থী রাজেশ মণ্ডলকে জিতিয়ে দেন। এই অভিযোগেই মূলত মামলা হয়েছিল।বুধবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ দেন, অবিলম্বে ওই প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা করার। মারুমহসিনা পঞ্চায়েত সমিতির ১১ নম্বর আসন নিয়েই হয়েছিল এই মামলা।
এদিন মামলাকারীর আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী জানিয়েছেন, ফল প্রকাশের পদ্ধতিগত ত্রুটিও তুলে ধরা হয় আদালতে। দীর্ঘ শুনানির পর তিন মাস বাদে অবশেষে রায় ঘোষণা করল হাইকোর্ট। বিডিও-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে অবিলম্বে ওই কংগ্রেস প্রার্থীর নামে জয়ের শংসাপত্র দেওয়া হয়।







