শান্তিনিকেতনের হেরিটেজ তকমার ফলকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামের অনুপস্থিতি ঘিরে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। কয়েকদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই ফলকে রবীন্দ্রনাথের নাম খোদাইয়ের জন্য সময়ও নির্ধারণ করে দিলেও এখনও সেই ‘ভুল’ সংশোধন করেনি বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।
ফলকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম না থাকার কারণে লাগাতার ধর্না শুরু করেছে তৃণমূল। সেই আন্দোলন ৪র্থ দিনে পা দিল। বিশ্বভারতীর উপাসনা গৃহের সামনের রাস্তা, যাকে কেন্দ্র করে পূর্ত দফতর ও বিশ্বভারতীর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই টানাপড়েন চলছে সেই রাস্তাটি বিশ্বভারতীকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে উপাচার্য লিখেছেন, “আপনি এখনও কান দিয়ে দেখেন”। উপাচার্য লেখেন “আপনার মন্ত্রী-স্তাবকরা জেল খাটছেন।”
ওই চিঠিতে উপাচার্য বিদ্যুত্ চক্রবর্তী কোনও প্রশাসনিক শিষ্টাচারের মধ্যে না গিয়ে রীতিমত বিরোধী রাজনীতিবিদের আদলে লিখেছেন, “আপনার দুই সিনিয়র মন্ত্রী জেলে আছেন। আপনার বিশ্বস্ত সহযোগীরা তিহারে বন্দি। আপনার সরকারের উপাচার্য জেলে। তৃণমূল সরকার কয়লা, গরু, রেশন, চোরাচালান কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত।”
বিদ্যুত্বাবুর এই চিঠি রাজ্য সরকার ও বিশ্বভারতীর সংঘাত আরও আরও তীব্র করে তুলেছে সেই বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। গত ২৭ সেপ্টেম্বর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তকমা দেয় ইউনেস্কো। এই নিয়ে একটি শ্বেত পাথরের ফলক বসিয়েছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। তাতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম না থাকার প্রতিবাদে আন্দোলনের ডাক দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।







