নিমন্ত্রণবাড়ি হোক বা নিজের বাড়িতে খাওয়াদাওয়ার পর জোয়ান খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই থাকে। ভাজা বা মশলা জোয়ানের চাহিদা অনেক। জোয়ান মানেই হজম- এ সাহায্য করে এ কথা কে না জানে। অনেকেই একথা ভেবেই সারাদিন অতিরিক্ত জোয়ান খান। জানেন নিজের অজান্তেই এতে কতটা বিপদ ডেকে আনছেন আপনি? সামান্য পরিমাণ জোয়ানের যেমন নানা গুনাগুণ রয়েছে, সেরকম অত্যাধিক পরিমাণে জোয়ান খেলে হতে পারে বিপদ।
* মুঠো মুঠো জোয়ান খাওয়া শুরু করলে মুখের ভিতর ঘা হওয়ার আশঙ্খা থাকে। তা থেকে মাউথ আলসারের মতো রোগে পড়ার সম্ভাবনা শুরু হয়। তাই যারা মাউথ আলসার বা আলসার রোগে আক্রান্ত, তাঁরা ভুলেও জোয়ান খাবেন না।
* অতিরিক্ত জোয়ান খাওয়া শুরু করলে শরীরে অ্যাসিডের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। পেট খারাপ, মাথা ঘোরা, বার বার বমি হওয়া এবং বদহজমের মতো সমস্যা হতে পারে।
* অতিরিক্ত জোয়ান খেলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। গরমে খুব বেশি জোয়ান খাওয়া উচিত নয়। এর ফলে পেট গরম হয়ে ত্বকে র্যাশ, অ্যালার্জিও হতে পারে।
* অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় খাবেন না: অতিরিক্ত জোয়ান খেলে শরীর গরম হয়ে যায়। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তাই খুব বেশি জোয়ান না খাওয়াই ভাল। নইলে শারীরিক সমস্যা হতে পারে।
* কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগও শরীরে বাসা বাধতে পারে বেশি জোয়ান খেলে।
* জোয়ান খেলে শরীরের অভ্যন্তরে রক্তক্ষরণ বেড়ে যেতে পারে। তাই যে কোনও ধরনের অস্ত্রোপচারের আগে রোজের খাদ্যতালিকায় জোয়ান না রাখাই ভাল।







