বিশ্বজুড়ে এমন কিছু জায়গা রয়েছে যা আর পাঁচটা জায়গার থেকে আলাদা বলেই জানা হয়। শুধুমাত্র বিশেষ কিছু কারণের জন্যই এই জায়গাগুলো আলাদা হয়ে থাকে।
কথিত আছে, যে এই মন্দিরের কাছাকাছি যান তাঁরই মৃত্যু নাকি অবধারিত। অন্যদিকে, এই মন্দিরে কেউ প্রবেশ করলে তাঁর আর কোনও খোঁজ মেলে না।
হিমালয়ের পাদদেশে এর অবস্থান
ভাবেছেন কী? মন্দিরে যাওয়ার সঙ্গে আবার প্রাণের ভয় কোথায়? জানা গেছে, গুটিকয়েক ভক্ত ছাড়া আর কেউই অভিশপ্ত এই মন্দিরে পা বাড়ায়নি। যদিও পাহাড়ে ঘেরা এই মন্দিরটি অপূর্ব সুন্দর। এবার তবে জেনে নিন এই মন্দিরের আসল রহস্য। এখানে স্বয়ং মৃত্যু দেবতা যম রাজের আরাধনা করা হয়!
তাই ভয়ে কারো সাহসই হয় না এই মন্দিরে ঢোকার। কারণ সবাই মানেন, একমাত্র মৃত্যুর পরই তার দর্শন পাওয়া সম্ভব। মৃত্যুর আগে তার সঙ্গে সাক্ষাত মানেই হাজারো বিপদকে ডেকে আনা। তবে কেনইবা এতো জাকজমকভাবে যম রাজের মন্দির স্থাপন করা হয়েছিল? যদিও এই প্রশ্নের উত্তর জানা নেই কারো।
স্থানীয়দের মতে, মন্দিরে শুধু যম রাজ নয় তার সঙ্গে রয়েছেন চিত্রগুপ্ত। এই মন্দিরের মধ্যেই গোপন এক ঘরেই নাকি যম রাজ ও তার সহায়ক থাকেন। আর সেখানে বসেই তারা সাধারণ মানুষের ভালো মন্দের হিসাব নিকাশ কষে যান। যখন কারো মৃত্যু ঘটে তার ভালো মন্দের হিসাব পৌঁছে স্বয়ং যম রাজের হাতে।
মন্দিরটি দেখতে অনেক সুন্দর
সত্যিই কি মন্দিরের ভিতরে গোপন দরজা আছে? তারও কোনো প্রমাণ নেই। তথাকথিত তথ্য অনুযায়ী, মন্দিরটিতে মোট চারটি অদৃশ্য দরজা রয়েছে। এগুলোর প্রত্যেকটি সোনা, রুপা, ব্রোঞ্জ এবং লোহা দিয়ে তৈরি। পুরাণেও নাকি এমন চারটি দরজার বিষয়ে লেখা রয়েছে। যম রাজের ইচ্ছা অনুযায়ীই নাকি মৃত ব্যক্তির আত্মা এসব দরজার কোনো একটি দিয়ে স্বর্গ বা নরকে পৌঁছাবে।
এমনই সব কুসংষ্কারে ঠাঁসা রয়েছে মন্দির প্রাঙ্গণ। ধর্মপ্রাণ মানুষরা মন্দিরকে প্রণাম জানাতে আসলেই মৃত্যু ভয়ে মন্দিরের সদর দরজা পার হয় না। মানুষের বিশ্বাস, মৃত্যুর পরেই আত্মার ঠাঁই হয় যম রাজের দরবারে। সেখানে চিত্রগুপ্ত সেই আত্মার ভালো মন্দের হিসাব পেশ করেন মৃত্যুর দেবতার সামনে। তারপর তিনি সিদ্ধান্ত নেন, কোন দরজা খোলা হবে?






