ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের আগে টিকিটের কালোবাজারির অভিযোগে বিতর্কে জড়াল হায়দরাবাদ ক্রিকেট সংস্থা। বিনামূল্যে পাওয়া কমপ্লিমেন্টারি টিকিট বেআইনিভাবে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগে সংস্থার কর্তা সতীশচন্দ্র শ্রীবাস্তব, তাঁর ছেলে আকর্ষিত শ্রীবাস্তব-সহ মোট চার জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার হায়দরাবাদে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হওয়ার কথা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১২ অক্টোবর বেগম বাজারের এসডি মলের সামনে টিকিটের কালোবাজারি চলছে বলে খবর পায় পুলিশ। সেই খবরের ভিত্তিতে সাব-ইনস্পেক্টর জনার্দন নাইকের নেতৃত্বে রাত ৯টা নাগাদ অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে অবিনাশ দারক এবং মোহিত সোমানিকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে ক্রিকেট ম্যাচের পাস, নবরাত্রির ডান্ডিয়া অনুষ্ঠানের পাস, নগদ ৫ হাজার টাকা, মোবাইল ফোন এবং একটি দু’চাকার গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।
জেরায় দারক ও সোমানি পুলিশকে জানিয়েছেন, আকর্ষিত শ্রীবাস্তব তাঁদের ওই টিকিটগুলি বিক্রির জন্য দিয়েছিলেন। অভিযোগ, টেলিগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ৩৫০০ থেকে ৬০০০ টাকা পর্যন্ত দামে টিকিট বিক্রি করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, আকর্ষিত তাঁর বাবা সতীশচন্দ্রের কাছ থেকেই কমপ্লিমেন্টারি টিকিটগুলি পেয়েছিলেন। সতীশ হায়দরাবাদ ক্রিকেট সংস্থার সদস্য।
তদন্তে এখনও পর্যন্ত ন’টি কমপ্লিমেন্টারি টিকিট কালোবাজারির মাধ্যমে বিক্রির তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এর বাইরে আরও টিকিট বেআইনিভাবে বিক্রি করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় চার অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।
ম্যাচের আগে টিকিটের কালোবাজারি ঠেকাতে সাধারণ মানুষকেও সতর্ক করেছে পুলিশ। অনুমোদিত ও স্বীকৃত সংস্থার কাছ থেকেই টিকিট কেনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোথাও বেআইনিভাবে টিকিট কেনাবেচা হতে দেখলে দ্রুত পুলিশকে জানানোর আবেদনও করা হয়েছে।






