সোমবার সকালে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সাংবাদিক বৈঠকে কুণাল ঘোষ ২৭ এর নবান্ন অভিযান কে অবৈধ বলে মন্তব্য করেন। পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের তরফে মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছেন। এই নবান্ন অভিযান নিয়েই তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব সাংবাদিক বৈঠক করেন।
এই বৈঠকে তারা স্পষ্ট জানান, এই নবান্ন অভিযান সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। রাজনৈতিক রং চড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। এমনকি কুণাল ঘোস বলেন, “এই অভিযান সম্পূর্ণ অবৈধ।”
এদিন কুণাল ঘোষ দুটি ভিডিও প্রকাশ করে বলেন অশান্তির ছক কষা হচ্ছে নবান্ন অভিযানের মোড়কে। যদিও ওই ভিডিওর কোন সত্যতা যাচাই করে নিয়ে সময় ৩৬৫। তৃণমূলের দাবি বিজেপি, এবিভিপি, এসএফআই ডিওয়াইএফআই, আরএসএস এবং বিরোধী দলগুলি পশ্চিমবঙ্গ ছাত্রসমাজের নামে সন্ত্রাস করতে চলেছে। এই ছাত্র সমাজের কোন অস্তিত্ব নেই বলে দাবি তৃণমূলের। কোরাল খোসের আরো দাবি সামাজিক মাধ্যমে লোককে ক্ষেপিয়ে তুলছে একটি চক্র। এগুলির সাথে বিজেপি নেতৃত্ব জড়িত।
প্রসঙ্গত, কুনাল ঘোষ যে ভিডিও প্রকাশ করেছে সে ভিডিও পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের অন্যতম মোট সায়ন লাহিড়ী ভুয়া বলে দাবি করছেন তিনি জানিয়েছেন সে ভিডিওতে যাদের দেখা যাচ্ছে সেগুলি ভুয়ো।
প্রসঙ্গত, নবান্ন অভিযানের আগেরদিন কলকাতা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করেন পশ্চিমবঙ্গ ছাত্রসমাজ নামে ওই সংগঠন। মঙ্গলবারের কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত জানানো এবং মিছিলকে রাজনীতিকরণ থেকে দূরে রাখার বার্তা দিতে। কিন্তু সাংবাদিকদের কিছু প্রশ্ন শুনে মেজাজ হারালেন সংগঠনের এক সদস্য শুভঙ্কর হালদার। তাঁকে আরএসএস নিয়ে প্রশ্ন করতেই মেজাজ হারিয়ে বলে ফেললেন, “আমি গর্বিত যে আমি সংঘের একজন সক্রিয় সদস্য।” তাঁর অভিযোগ, “বিরোধী রাজনীতি করলেই জেলে থাকতে হবে। আমি তিনবার জেলে গিয়েছি। আর যাঁরা আমার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে বলে অভিযোগ তুলছেন, তাঁরা ৩৭৬ ধারায় মামলার প্রমাণ দেখাতে পারলে, আমিও দেখে নেব।”







