চন্দননগর এখন জমজমাট জগদ্ধাত্রী পুজোয়। আজ শনিবার জগদ্ধাত্রী পুজোর মহাষ্টমী। বেলা বাড়লেই জনস্রোত একদা ফরাসডাঙার অলি-গলিতে। চন্দননগর এবং মানকুণ্ডু স্টেশনের বাইরে দুপুরের পর থেকে পা ফেলার জায়গা নেই। ট্রেন থামতেই কাতারে কাতারে মানুষ নামছেন জগদ্ধাত্রী পুজো দেখতে।চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর অন্যতম প্রধান বিশেষত্ব রকমারি আলোর ছটা ও অপরূপ দেবী মূর্তি। এককথায় এবারও ‘সুপার-ডুপার হিট’ চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী উৎসব। দুর্গাপুজোর মতোই হুগলি নদীর পাড়ের শহরে জগদ্ধাত্রী পুজো চলে চারদিন ধরে। চন্দননগরের যে পুজো মণ্ডপগুলিতে মানুষ সবচেয়ে বেশি ভিড় জমান তাদের অন্যতম হেলাপুকুর ধার বারোয়ারির পুজো। এই বছর এই পুজো ৫৫ বছরে পড়েছে। উদ্যোক্তারা এই বছরের পুজোকে ‘স্বর্ণকমল বর্ষ’ হিসেবে উদজাপন করছেন। এই বারোয়ারির পুজোয় ভিড়ের অন্যতম প্রধান কারণ দেবী জগদ্ধাত্রীর নয়ন জুড়নো স্বর্ণসজ্জা।
চন্দননগরের কোনও বারোয়ারির প্রতিমার সাজে স্বর্ণলঙ্কার নেই। জনশ্রুতি প্রায় ১০০ ভরি সোনার অলঙ্কারে এবছরের দেবীপ্রতিমাকে সাজানো হয়েছে। তবে অলঙ্কারের ভরির পরিমাপ নিয়ে কিছু বলতে চাননি হেলাপুকুর ধার পুজো কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুমিত সরকার।
যদিও চাক্ষুস দেখলে বোঝাই যায় প্রায় কোটি টাকার ওপর স্বর্ণালঙ্কারে সজ্জিত হয়েছেন দেবী জগদ্ধাত্রী। বেশ খানিকটা খোলামেলা জায়গা নিয়ে হেলাপুকুর ধারের পুজো মণ্ডপ তৈরি হয়েছে। এই মণ্ডপকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বেশ আঁটোসাঁটো করা হয়েছে। পুলিশের কড়া নজরদারি তো আছেই তাছাড়াও বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মীও চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন। CCTV-তে পুরো এলাকা মুড়ে দেওয়া হয়েছে। এই বারোয়ারির থিমটিও বেশ সুন্দর। প্রখ্যাত শিল্পী গৌরাঙ্গ কুইল্যা শিশুদের মনের ক্যানভাসের ছবি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন চারপাশে।







