আফগানিস্তান আর শুধু চমক দেখানো দল নয়, বরং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালের লড়াইয়ে তারা এবার অন্যতম দাবিদার। পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ২০২৩ বিশ্বকাপে আলোড়ন, তারপর ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে পরাজিত করে সেমিফাইনালে পৌঁছানোর ঐতিহাসিক কীর্তি—সব মিলিয়ে রশিদ খানের নেতৃত্বাধীন দলটি এখন সত্যিকারের শক্তিশালী প্রতিপক্ষ।
আফগানিস্তানের বড় সুবিধা পাকিস্তানের কন্ডিশনে খেলা। করাচি ও লাহোরের স্পিন-বান্ধব উইকেট তাদের শক্তির সাথে মানানসই। যদিও প্রধান স্পিন অস্ত্র এএম গজনফার চোটের কারণে ছিটকে গেছেন, তবে রশিদ খান, মোহাম্মদ নবী, নুর আহমদ ও নাঙ্গেয়ালিয়া খারোটের মতো স্পিনাররা প্রতিপক্ষকে বেকায়দায় ফেলতে প্রস্তুত। পেস আক্রমণে ফজলহক ফারুকি ও নবাগত নাভিদ জাদরান বড় ভরসা।
তবে দুর্বলতা রয়েছে ব্যাটিং লাইনআপে, বিশেষ করে মিডল অর্ডারে। ২০২৩ বিশ্বকাপে তাদের ৪-৭ নম্বর ব্যাটারদের সংগ্রহ ছিল মাত্র ৮৪৯ রান, স্ট্রাইক রেট ৮৫-এর নিচে। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও মিডল অর্ডারের দুর্বলতা ছিল স্পষ্ট। ফলে রাহমানউল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরানকে উদ্বোধনী জুটিতে বড় ভূমিকা রাখতে হবে।
আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি যাত্রা শুরু করবে আফগানিস্তান। এরপর ২৬ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ড ও ২৮ ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। নিজেদের প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অভিযানে আফগানিস্তান কি পারে আরেকটি চমক দেখাতে? ক্রিকেটবিশ্ব তাকিয়ে থাকবে তাদের দিকে!







