সম্প্রতি কয়েক মাস আগে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। এখন সকল ছাত্রছাত্রীরা ফল প্রকাশের অপেক্ষায় আছেন। তবে ইতিমধ্যে জানা যাচ্ছে, এই দুই বোর্ড পরীক্ষার ফল প্রকাশ পিছিয়ে যেতে পারে।
সম্প্রতি এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলার রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আর সেই মামলায় চাকরি বাতিল হয়েছে ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকার। চাকরি বাতিল হওয়ার পরেই রাজ্যের স্কুলগুলির কপালে চিন্তার ভাঁজ। এখনো বহু খাতা দেখা বাকি, ইতিমধ্যে এই রায়দান যেন সবটাই উলটপালট করে দিল। রায়দানের ফলে চিন্তায় পড়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। এর ফলেই পিছিয়ে যেতে পারে রেজাল্ট প্রকাশের দিনক্ষণ।
এমন বহু শিক্ষক রয়েছেন যাদের চাকরি বাতিল হয়েছে, তাঁরা বোর্ড পরীক্ষার খাতা দেখছিলেন। তাঁরা খাতা দেখার দায়িত্বে ছিলেন। এখন তাদের চাকরি বাতিল হওয়ায় সেই জায়গায় কারা খাতা দেখবেন, তাই নিয়ে বিরাট চিন্তার মুখে রাজ্য। এই পরিস্থিতিতে কি সমাধান হবে তাই খোঁজা চলছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের সেক্ষেত্রে অনেকটা দেরি হতে পার। আবার বহু শিক্ষক বলছেন, যেহেতু তাঁদের অযোগ্য বলে বিবেচিত করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে তাঁরা পরীক্ষার খাতা দেখবেন না। এমন ঘোষণা করেছেন শিক্ষকদের একাংশ।
শিক্ষকদের এই সিদ্ধান্তের ফলে বোর্ড পরীক্ষার খাতা দেখার কাজ ব্যাহত হতে পারে। এখন কথা হচ্ছে, শিক্ষকরা যদি খাতা দেখতে না চান তাহলে তাঁদের কাছ থেকে খাতা জমা নিয়ে আবার নতুন করে অন্যান্য শিক্ষকদের খাতা এলোট করতে হবে।যদিও এখনো পর্যন্ত মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এই বিষয়ে সরাসরি কিছু জানায়নি। তবে এটা জানা যাচ্ছে যে বেশ কিছু জন শিক্ষক খাতা দেখবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে মাধ্যমিকের তুলনায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কিছু কম হওয়ায় পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রিত হতে পারে।
তবে এখনো পর্যন্ত জানা যাচ্ছে না কবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলপ্রকাশ হবে। ছাত্রছাত্রীরা অপেক্ষায় রয়েছেন ফলপ্রকাশ-এর দিনক্ষণ জানার জন্য। তবে পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের এই নিয়ে চিন্তার কারণ নেই। ঠিক যথাসময়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার রেজাল্ট আউট হবে।







