স্ত্রীকে খুন করে আত্মঘাতী হলেন ক্যান্সার আক্রান্ত স্বামী। ঠিক এমনই চিত্র উঠে এলো দিল্লির গাজিয়াবাদের। মৃত স্বামী ৪৬ বছর বয়সী কুলদীপ ত্যাগী, পেশায় একজন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী। তিনি মৃত্যুর আগে একটি একটি সুইসাইড নোট লেখেন। তাতে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ, যে তাঁর ক্যান্সার ধরা পড়েছে।
কিন্তু চিকিৎসার জন্য কুলদীপ অর্থ অপচয় করতে রাজি নন। নোটে আরও লেখা আছে স্ত্রী অংশু ত্যাগীকে তিনিই হত্যা করেন কারণ তাঁরা একসঙ্গে থাকার প্রতিজ্ঞা করেছিল। দম্পতির দুই পুত্রসন্তান আছে। পাশাপাশি কুলদীপের ,বাবা একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক।
পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ রাজনগর এক্সটেনশনের রাধা কুঞ্জ সোসাইটিতে নিজের বাড়িতে কুলদীপ স্ত্রী কে গুলি করে হত্যা করে। তারপরই নিজে আত্মঘাতী হন। ওই সময় দুই ছেলে বাড়িতেই ছিল। গুলির শব্দ শুনে তাঁরা বাবা মায়ের ঘরে গেলে, দেখে রক্তে ভাসছে চারদিক। কুলদীপের মৃতদেহ মেঝেতে এবং অংশুর দেহ খাটে পড়ে আছে। দ্রুত তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা দম্পতিকে মৃত ঘোষণা করে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। তল্লাশিরসময় ঘর থেকে মিলল সুইসাইড নোট। তাতে লেখা, “আমি ক্যান্সারে ভুগছি, আমার পরিবার তা জানে না। আমি চাই না যে আমার চিকিৎসার জন্য টাকা নষ্ট হোক কারণ বেঁচে থাকা অনিশ্চিত। আমি আমার স্ত্রীকে সাথে নিয়ে যাচ্ছি কারণ আমরা চিরকাল একসঙ্গে থাকার প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। এটা আমার সিদ্ধান্ত। কেউ, বিশেষ করে আমার সন্তানেরা এর জন্য দায়ী নয়।” পুলিশ রিভলবারটি বাজেয়াপ্ত করে। দুজনের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।







