কলকাতায় চাকরির ইন্টারভিউর নামে দুর্গাপুরের বাড়ি থেকে ৯ দিন আগে বেরন যুবক। গত প্রায় দুই দিন ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। তারপর উত্তরাখণ্ডের বদ্রিনাথের পাইনবন থেকে মিলল যুবকের ঝুলন্ত মৃতদেহ। ঠিক এমন এক ঘটনা ঘটলো দুর্গাপুরের বি-জোনের এডিশন এলাকায় বাসিন্দা প্রীতম মজুমদারের(২৭) সঙ্গে। ঘটনার প্রকাশ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মৃতদেহ নিয়ে আসার জন্য বদ্রীনাথের উদ্দেশ্যে রওনা হয় পরিবারের সদস্যরা।
পরিবার সূত্রে খবর, প্রীতমের বাবা ও মায়ের ২০০৮ সালে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বাবা বায়ুসেনার একজন প্রাক্তন কর্মী। বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি আবার বিয়ে করে গুজরাটে থাকতেন। প্রীতমের মা পূর্ণিমা মজুমদার এনআইটির হস্টেলের একজন সুপার ভাইজার। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর দুর্গাপুরের এডিশন অঞ্চলে দাদুর বাড়িতেই ভাই-বোন-মাকে নিয়ে থাকতেন প্রীতম।
স্থানীয় কলেজ থেকে অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করেন প্রীতম। সম্প্রীতি চলতি মাসের শুরুতে পরিবারের সদস্যদের কাছে প্রীতম জানিয়েছিলেন, কলকাতায় চাকরির ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাক পেয়েছে। সেজন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে গত ৪ তারিখ দুর্গাপুর থেকে রওনা দিয়েছিলেন তিনি। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগও হত। কিন্তু গত ১১ তারিখ শেষবার প্রীতম মামার সঙ্গে শেষবার কথা বলেছন। তারপর থেকে আর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিলো না। গতকাল মঙ্গলবার উত্তরাখণ্ডের জোশিপঠ থানার পুলিশ প্রীতমের মামার যোগাযোগ করে জানান, ওই এলাকার পাইন বনের একটি গাছ থেকে তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থলেই তাঁর কাগজপত্র পাওয়া যায়।
এই কথা শুনে হতচকিত পরিবার। উত্তরাখণ্ড কীভাবে পৌঁছলেন প্রীতম? তাহলে কি তিনি কলকাতায় চাকরির ইন্টারভিউ দিতে যাননি? গোটা বিষয়টি ঘিরেই রহস্যের ঘনঘটা তুঙ্গে।







