প্রথম থেকেই দর্শকের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ছবি ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’। এই ছবিতে ইতিমধ্যেই নিশ্চিতভাবে দেখা যাবে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, দিব্যজ্যোতি দত্ত, দর্শনা বণিক, ইশা সাহা, পার্নো মিত্র এবং ইন্দ্রনীল সেনগুপ্তকে। শোনা গিয়েছিল, লক্ষ্মীপ্রিয়া চরিত্রে অভিনয় করবেন দর্শনা বণিক। তবে সাম্প্রতিক গুঞ্জন বলছে, সেই ভূমিকায় পরিবর্তন আসতে চলেছে। টলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন, দর্শনার বদলে ‘মিঠিঝোরা’ ধারাবাহিকের রাই অর্থাৎ আরাত্রিকা মাইতি হতে পারেন লক্ষ্মীপ্রিয়া।
সূত্রের খবর, পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় নিজে আরাত্রিকাকে এই চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। যদি সব ঠিকঠাক চলে, তাহলে এই ছবির হাত ধরেই বড়পর্দায় ডেবিউ করতে চলেছেন আরাত্রিকা। আরাত্রিকাকে এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে অভিনেত্রী বলেন,”এখনই কিচ্ছুটি বলতে পারব না। আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে।” পরিচালক বা প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকেও এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে টেলিভিশনে আরাত্রিকার জনপ্রিয়তা এবং অভিনয় দক্ষতা ইতিমধ্যেই দর্শকদের নজর কেড়েছে। ফলে তাঁর বড়পর্দায় পা রাখার খবরে স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজিত ভক্তরা।
প্রসঙ্গত, দিব্যজ্যোতি দত্ত-ও এই ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় ডেবিউ করতে চলেছেন। টেলিভিশনে ‘অনুরাগের ছোঁয়া’র ‘সূর্য’ চরিত্রে পরিচিত দিব্যজ্যোতি এই ছবিতে রূপ দেবেন চৈতন্যদেব-এর চরিত্রে। আর তাঁরই ‘লক্ষ্মীপ্রিয়া’ হবেন আরাত্রিকা যদি সব কিছু ঠিকঠাক চলে। এদিকে দর্শনা বণিক ছবিতে অভিনয় না করার কারণ হিসাবে শোনা যাচ্ছে, একই সময়ে তাঁর একটি হিন্দি প্রোজেক্টের শ্যুটিং রয়েছে। ছবিতে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় থাকবেন ‘নটী বিনোদিনী’র চরিত্রে। ব্রাত্য বসু হবেন গিরিশ চন্দ্র ঘোষ। ইশা সাহা, পার্নো মিত্র এবং ইন্দ্রনীল সেনগুপ্তকে দেখা যাবে সমসাময়িক কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, জুন মাসে ছবির শ্যুটিং শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর মুক্তি পেতে পারে বছরের শেষে, শীতের ছুটিতে।







