তৃণমূল কংগ্রেসের জনপ্রিয় জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ ভোটবাক্সে সাফল্যের অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে। ২০২১ সালের নির্বাচনের আগে চালু হওয়া এই প্রকল্প রাজ্যের মহিলাদের আর্থিক স্বনির্ভরতার জন্য বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। শুরুতে জেনারেল ক্যাটাগরির মহিলারা মাসে ৫০০ টাকা ভাতা পেতেন, যা পরে বাড়িয়ে ১০০০ টাকা করা হয়। তফসিলি জাতি ও উপজাতি মহিলাদের জন্য নির্ধারিত অনুদান ১০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২০০ টাকা করা হয়েছে। এখন জেনারেল ক্যাটাগরির মহিলাদের ভাতা ১০০০ টাকা।
রাজ্যের একাধিক জনকল্যাণ প্রকল্পের মধ্যে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ সর্বোচ্চ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। ভাতাটি সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হয়, যা তাদের আর্থিক স্বাধীনতায় সাহায্য করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক বৈঠকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই প্রকল্প শুধু ভারতেই নয়, সারা বিশ্বে এরকম প্রথম উদ্যোগ।
তিনি বলেন, “অনেক প্রতিশ্রুতি দেন, কিন্তু ভোটের সময় ছাড়া বাস্তবায়ন করেন না। আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়ে দায়িত্ব পালন করি, কখনো কথা থেকে সরে যাইনি।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আমাদের গর্বের প্রকল্প, নারীদের সম্মানের প্রতীক। এটি বন্ধ হবে না, চলবে সারাজীবন।” এই ঘোষণা থেকে বোঝা যায়, তৃণমূল সরকারের নীতি ও দৃষ্টিভঙ্গি নারীর ক্ষমতায়নে কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
রাজ্যের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প মমতার নেতৃত্বে বাংলার মহিলাদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্ত







