শুক্রবার পয়েন্ট তালিকায় দুইয়ে থাকার লড়াইটা যেন বুমেরাং হয়ে ফিরে এল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে। একদিকে যখন হায়দরাবাদের ব্যাটিং লাইনআপ আক্রমণে উড়ছিল, অন্যদিকে তখন বেঙ্গালুরু নিজেই ধসে পড়ল নিজের ভারে। সাত উইকেট পড়ে গেল মাত্র ষোল রানে। হারল ৪২ রানে। আর এই হারে শুধু ম্যাচ নয়, নেট রানরেটেও পিছিয়ে পড়ল পাঞ্জাবের কাছে।
প্রথম ম্যাচে শতরান করার পর দশ ইনিংসে একপ্রকার নিষ্প্রভ ছিলেন ইশান কিশন। কিন্তু লখনউর এই ম্যাচে পুরনো ইশান কিষান যেন ফিরেই এলেন। ৪৮ বলে অপরাজিত ৯৪। দলের শেষ তিরাশিটি রানের মধ্যে একাই করলেন চুয়ান্ন। টানা উইকেট পড়ার মাঝে তিনিই ছিলেন একমাত্র আশার আলো। তাঁর ব্যাটে ভর করেই দু’শো একত্রিশে পৌঁছল সানরাইজার্স।
তবে ইশানের আগেই ম্যাচের ভিত গড়ে দেন অভিষেক শর্মা, ট্রাভিস হেড, হেনরিক ক্লাসেন ও অনিকেত ভার্মা। ব্যাটিং শুরু করেই বুঝিয়ে দেন, পিচ মোটেও কঠিন নয়, বরং পুরোপুরি ব্যাটিং সহায়ক। অভিষেকের ঝড়ো চৌত্রিশ, ক্লাসেন ও অনিকেতের মারকাটারি শট—সব মিলিয়ে বেঙ্গালুরুর বোলিংকে যেন একপ্রকার ধুলোয় মিশিয়ে দেন তাঁরা।
এর মাঝেই রোমারিও শেফার্ড কিছুটা আশা দেখান বল হাতে। দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে রানের গতি কিছুটা আটকে দেন। কিন্তু কিশনের ব্যাট যেন অচল করে দেয় সেই সব পরিকল্পনা। কামিন্সকে সঙ্গে নিয়ে শেষ তিন ওভারে অপরাজিত তেতাল্লিশ রানের জুটি বাঁধেন।
জবাবে ফিল সল্টের ঝোড়ো শুরুতে আশার আলো দেখা গেলেও, মাঝের ওভারে একে একে ভেঙে পড়ে গোটা ব্যাটিং লাইনআপ। শেষ সাত উইকেট হারায় মাত্র ষোল রানে। এই ধস যদি সামলাতে না পারে বেঙ্গালুরু, তাহলে এবারও কি ট্রফি অধরাই থেকে যাবে? প্রশ্নটা উঠতেই পারে।







