একাধিকবার চেষ্টার পরও এতদিন মুখ খোলেননি রাজন্যা হালদার। কিন্তু কসবা-কাণ্ডের পর অবশেষে সামনে এলেন তিনি এবং তুললেন এক গুরুতর অভিযোগ। তাঁর দাবি, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কিছু সদস্যের মোবাইল ফোনে তাঁর বিকৃত ছবি ছড়ানো হচ্ছিল, যেটি Ai প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল।
এদিন এক প্রথম সারির সংবাদ মাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে রাজন্যা জানান, “আমার বিকৃত ছবি অভিযুক্তের ফোনে পাওয়া গেছে। সেই ছবি জুনিয়র সদস্যদের দেখানো হত, আর তা দেখে বিকৃত আনন্দ নিত তারা। ঘটনাটি আমাকে মানসিকভাবে ভেঙে দেয়।”
রাজন্যা জানান, ওই ঘটনার পর তিনি এতটাই মানসিক চাপে ছিলেন যে প্রকাশ্যে কিছু বলতে পারেননি। আরও জানান, সম্প্রতি এক প্রভাবশালী ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে মুখ খোলার পর তাঁকে ব্যক্তিগত আক্রমণের মুখে পড়তে হচ্ছে। এমনকি ২১ জুলাইয়ের আগে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কেও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।
তাঁর নীরবতার কারণ ব্যাখ্যা করে রাজন্যা বলেন, “আমি কোনও অভিযোগ দায়ের করিনি, কারণ এতে দলেরই অপমান হতো। আমি চাইনি তৃণমূল দল এই ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়ুক।”
এই প্রসঙ্গে এসএফআই-এর রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে বলেন, “রাজন্যার আরও আগে এই বিষয়ে মুখ খোলা উচিত ছিল। শুধু তিনি নন, এমন অভিজ্ঞতার শিকার আরও যেসব মেয়েরা রয়েছেন, তাঁদের পাশে দাঁড়ানোটা দরকার ছিল।”
অন্যদিকে, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক অভিরূপ চক্রবর্তী জানান, এখনও পর্যন্ত এমন কোনও লিখিত অভিযোগ তাঁদের কাছে আসেনি। তবে কোনও অভিযোগ এলে দল উপযুক্ত পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।







