নিজের সমাজ মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী । ভিডিও পোস্ট করে তিনি অভিযোগ করেছিলেন , দিল্লি পুলিশ , বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবারের মা ও শিশুকে মারধর করেছে । ২৮ তারিখ , বোলপুরের সভাতেও মুখ্যমন্ত্রীর মুখে শোনা গিয়েছিল , একই অভিযোগ । বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে মিথ্যা প্রমাণ করাতে, দিল্লি পুলিশের তরফেও সোমবার সন্ধ্যায় একটি সাংবাদিক বৈঠক করা হয় । কিন্তু মঙ্গলবার ফের এক কর্মসূচি থেকে দিল্লি পুলিশকে ফের চ্যালেঞ্জ করেছেন ।
মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন , ‘‘আমি কালকে ওই বাচ্চাটার কথা বলেছিলাম। একটার পর একটা থানায় ওদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমি কালকেই মিটিংয়ে বলেছিলাম। রেকর্ড চেক করুন। বলেছিলাম ওদের থ্রেট করা হবে। হয়েছে সেটাই। আমরা চাইব, তাঁরা যাতে ফিরে আসেন। আর কে সত্যি, কে মিথ্যা তা প্রমাণ হয়ে যাবে।’’
প্রসঙ্গত , দিল্লি পুলিশের তরফে , সাংবাদিক বৈঠকে জানানো হয় , মমতা ব্যানার্জি ভিডিয়ো পোস্ট করা মাত্রই , বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। তদন্তে কী জানা গিয়েছে, তার ব্যাখ্যা করতে গিয়ে দিল্লি পুলিশকর্তা জানান, মমতা ব্যানার্জি যে ভিডিও পোস্ট করেছিলেন , তাতে থাকা মহিলার পরিচয় জেনে তার বাড়িতে গিয়ে তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ করেন । মহিলা জানান, ২৬ জুলাই রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ তাদের বাড়িতে দিল্লি পুলিশের চার জন কর্মী সাদা পোশাকে আসেন । এবং তারাই তাদের নিয়ে যান একটি নির্জন স্থানে। তার পর তাদের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা দাবি করে তাদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তবে দিল্লি পুলিশ মহিলার এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেই দাবী করেছে ।







