আর কিছুদিন পরেই বাঙালির কালীপুজো। বাংলা সেজে উঠেছে আলোক সজ্জায়। আর কালীপুজোর আগে কার্তিক মাসে কৃষ্ণপক্ষের ত্রয়োদশীতে পালিত হয় ধনতেরাস। ধনতেরাস এর পরদিন পালিত হয় নরক চতুর্দশী। এই দিনটি বাঙালিদের কাছে ভুত চতুর্দশী নামে পরিচিত। ১৪ শাক খেয়ে ১৪ প্রদীপ জ্বালিয়ে এই দিনটি পালন করা হয়। এই দিনটি আবার ছোটি দিওয়ালি নামেও পরিচিত।
তবে জানেন কি এই দিনটিতে বজরঙ্গবলীও পূজিত হয়ে থাকেন? আপনি কি জানেন এই দিনে বজরঙ্গবলী পূজার গুরুত্ব ঠিক কতখানি? তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক এই দিনে বজরঙ্গবলী কেন পূজিত হন?
রামায়ণে কথিত আছে, কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীতে হনুমান জির জন্ম হয়েছিল। অর্থাৎ নরক চতুর্দশীর দিন তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাই নরক চতুর্দশীর দিন যে ব্যক্তি বজরংবলীর পূজা করেন, তিনি জীবনের সমস্ত ঝামেলা থেকে মুক্তি পান বলে বিশ্বাস করা হয়।
তবে ভুলেও এই দিন মন্দির, রান্নাঘর, তুলসী, পিপল, বটগাছের নিচ অপরিষ্কার রাখবেন না। এই দিন পরিষ্কার করে একটি প্রদীপ জ্বালান। এটি করলে জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি বজায় থাকে বলে বিশ্বাস।






