খেলাধুলা

ব্যারেটোর স্মৃতিতে রবসনের আগমন, নতুন আশায় মোহনবাগান সমর্থকরা

মোহনবাগান যেন আবার ফিরিয়ে আনল সাম্বা ফুটবলের ছোঁয়া। ব্রাজিলের রবসন রবিনহোর আগমনে অনেক সমর্থকের মনে পড়ছে জোসে র‌্যামিরেস ব্যারেটোর নাম। প্রথম দিনেই রবসন জানিয়ে দিলেন, “আমি মোহনবাগানকে বাছিনি, মোহনবাগান আমায় বেছে নিয়েছে।” এই বক্তব্যই যেন তাঁর আত্মবিশ্বাস এবং ক্লাবের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রমাণ। ফলে সবুজ-মেরুন সমর্থকদের প্রত্যাশা আকাশছোঁয়া।

বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের হয়ে তিন বছরে সাতটি ট্রফি জেতা রবসনের অভিজ্ঞতা নিঃসন্দেহে মোহনবাগানের আক্রমণভাগকে শক্তিশালী করবে। অস্কার ব্রুজোর অধীনে খেলে অভ্যস্ত এই ব্রাজিলীয় ফুটবলার মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে নেমে পড়লেন সবুজ-মেরুন জার্সিতে অনুশীলনে। সামনে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ ২-এর ম্যাচ, তাই তাঁর আগমন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। যদিও মাত্র ১৪-১৫ দিনের ট্রেনিংয়ের মধ্যে তিনি ফিটনেসের ঘাটতি কাটানোর চেষ্টা করছেন। রবসনের দাবি, তিনি প্রস্তুত এবং কোচের নির্দেশে যেভাবেই ব্যবহার করা হোক, দলকে সাহায্য করতে পারবেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে রবসনের আত্মবিশ্বাস স্পষ্ট। তিনি বললেন, “আমাকে যদি স্ট্রাইকার হিসেবে খেলানো হয়, আমি গোল করব। আর যদি পিছনে খেলাই, তবে অ্যাসিস্ট দিয়ে দলকে এগিয়ে দেব।” তাঁর চোখে একটাই লক্ষ্য—দলকে জেতানো। আর সেই দায়বদ্ধতাই তাঁকে আলাদা করছে। ব্যারেটোর নাম উঠে আসতেই তাঁর মুখে স্বীকৃতি—“চিনি তাঁকে।” ফলে মোহনবাগান সমর্থকদের আবেগ আরও বেড়ে গেল।

বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় কাটানোয় বাংলাতেও স্বচ্ছন্দ রবসন। মজা করে বলে উঠলেন, “চল চল, আস্তে আস্তে, ভালো আছেন?” মাঠের বাইরেও সমর্থকদের সঙ্গে এই সহজ সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষমতাই তাঁকে জনপ্রিয় করে তুলতে পারে। সব মিলিয়ে রবসনের আগমন শুধু একজন বিদেশি ফুটবলারের সই নয়, বরং মোহনবাগানের আক্রমণভাগে নতুন আশার আলো।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.