লাপাত্তা আসানসোলের তৃণমূল সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা? ছট পুজোর সময়ই বিহারীবাবুর লাপাত্তা হওয়ার পোস্টার দেখা গেলো কুলটি ও বরাকরে । এই ঘটনায় , তৃণমূলের তরফে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে বিজেপির দিকে। স্থানীয় তৃণমূল নেতার অভিযোগ , ছট পুজোর সময় , সস্তার রাজনীতি করতেই বিজেপির এই কারসাজি । বরং কুলটির বিজেপি বিধায়ককে সারাবছর দেখা যায় না বলে , কটাক্ষ ঘাসফুল শিবিরের।
প্রসঙ্গত , শত্রুঘ্ন সিনহার নামে যে পোস্টার পড়েছে , তাতে লেখা , ” মাননীয় সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা জি , যিনি বিহারীবাবু নামে পরিচিত কিন্তু বিহারীদের সবচেয়ে বড় মহোৎসব , ছট পুজোতে তিনি নিজের লোকসভা কেন্দ্র থেকেই গায়েব রয়েছেন । কেউ সন্ধান পেলে খবর দেবেন ।” পোস্টারের নিচে – নিবেদক হিসেবে আসানসোলের জনতার কথা বলা হয়েছে ।
এই ঘটনায় , তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কাঞ্চন রায়ের মন্তব্য , “এটা বিজেপির কাজ। আসলে রাজনৈতিকভাবে আমাদের সঙ্গে লড়ে উঠতে পারছে না। মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশে আমাদের প্রত্যেক কর্মী, নেতা, বিধায়ক, মন্ত্রী মলয় ঘটক-সহ সকলেই ছটপুজোয় এলাকাবাসীর পাশে থেকে সাহায্য করছি। সাংসদ প্রত্যেক মাসেই এখানে আসেন। আমাদের সঙ্গে থাকেন। প্রত্যেকটা বিষয়ে খোঁজ নেন। আসলে ওরা এটাকে ইস্যু করছে।”
তবে , তৃণমূলের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি । বিজেপির জেলা সহ সভাপতি কেশব পোদ্দারের কথায়, “আমরা একটা সংবাদমাধ্য়মের থেকেই খবর পেয়েছি, যে রেল স্টেশনের আশপাশে কোথাও এরকম পোস্টার পড়েছে। এর পিছনে তৃণমূলেরই কেউ রয়েছে। এখানে তৃণমূলের একদল নেতা ক্ষমতা পেয়েছেন হাতে, যাঁরা পাননি, তাঁরাই এই ধরনের পোস্টার ফেলেছে।” পাশাপাশি , সাংসদের বিষয়ে তিনি আরো বলেন, “এটা ঠিক, শাসকদল এখান থেকে বিহারী প্রতিনিধি হিসাবেই অভিনেতাকে সংসদে পাঠিয়েছিল। আজ বিহারীদের এত বড় উৎসবে তিনি এখানে নেই। দুর্গাপুজোতেও ছিলেন না।”







