পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় ফের চিকিৎসাগত গাফিলতির অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল। স্থানীয় একটি বেসরকারি নার্সিংহোম— মাইতি ডায়গোনেস্টিক সেন্টারকে কেন্দ্র করে বুধবার গভীর রাতে তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন রোগীর পরিজনেরা। ঘটনার জেরে এলাকায় তৈরি হয় ব্যাপক চাঞ্চল্য, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামতে হয় পুলিশকে।
সূত্রের খবর, এগরা ১ ব্লকের খালশুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা সামসাদ খানের বৌমা, মাত্র ছাব্বিশ বছরের এক গর্ভবতী মহিলা, গত দশ মাস ধরে ওই নার্সিংহোমেই চিকিৎসা করাচ্ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন চিকিৎসা করানো সত্ত্বেও ভুল চিকিৎসার ফলেই গর্ভবতীর শারীরিক অবস্থা ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠে।
বুধবার গভীর রাতে হঠাৎ প্রসববেদনা শুরু হলে তাঁকে দ্রুত নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাঁকে মেদিনীপুরে রেফার করা হয়। পরিবারের দাবি, “নার্সিংহোমের চিকিৎসাগত গাফিলতি না হলে রোগীর এমন সংকটজনক পরিস্থিতি তৈরি হত না।”
এ ঘটনার পর ক্ষোভে ফেটে পড়ে রোগীর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। নার্সিংহোমের সামনে শুরু হয় তীব্র বিক্ষোভ। চিৎকার, ধস্তাধস্তি, বিক্ষোভ— উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এগরা থানার পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত বাহিনীও।
পুরো ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগের যথাযথ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক।







